শুখা মরশুমের শুরুতেই পানীয় জলের হাহাকার, পৃথক স্থানে পথ অবরোধ

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১২ ফেব্রুয়ারি ৷৷ পানীয় জলের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করল চন্ডিপুর ব্লকের অধীনে রাংরুং গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা৷ রাংরুং গ্রাম পঞ্চায়েতের এলাকায় ডিডাব্লিউ এস এর-এল প্রজেক্ট বন্ধ ৪৫ দিন ধরে৷ মেশিন বিকল থাকায় দীর্ঘ দেড় মাস ধরে পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ হয়ে রয়েছে৷


স্থানীয়দের তরফে পঞ্চায়েত, ডি ডাব্লিউ এস দপ্তর ও মহকুমা শাসকের শরণাপন্ন হয়েও কোন কাজ না হওয়ায় এলাকাবাসীর সড়ক অবরোধ করে৷ ঘটনাস্থলে কৈলাশহর থানার পুলিশ ও ডিডাব্লিউএস দপ্তরের কর্মীরা উপস্থিত হলেও এলাকাবাসী তাদের সাথে কোন কথা বলতে চাইনি৷ দীর্ঘ তিন ঘন্টা অবরোধ থাকার পর অবশেষে কৈলাসহর মহকুমা শাসক দল ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে দীর্ঘ আলাপ আলোচনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং অবরোধ মুক্ত এলাকা৷ মহকুমা শাসকের পক্ষ থেকে এলাকাবাসী কে আশ্বস্ত করা হয় যে এই প্রজেক্ট খুব দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে এবং আগামী ৭ দিনের মধ্যে তা পুনরায় আগের মত জল সরবরাহ করার জন্য তৈরি হয়ে যাবে এবং এই সাত দিন অথবা তার থেকে যদি একদিন বেশি সময়ের প্রয়োজন হয় তাহলে প্রতিদিন দপ্তরের পক্ষ থেকে এলাকায় গাড়ির মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবারহ করা হবে৷ শুখা মরশুম শুরু হতে বিভিন্ন এলাকায় পানীয় জলের সংকট শুরু হয়ে গেছে কখনো মেশিন নষ্ট অথবা কখনো ডিডাব্লিউ এর সঠিক ভাবে জল সরবরাহ না করায় বিঘ্নিত হচ্ছে জনজীবন৷


এই এলাকায় রয়েছে একটি উচ্চ বিদ্যালয় প্রায় শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী এই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এই দীর্ঘ ৪৫ দিন ধরে তাদের মিড ডে মিল পরিচালনার ক্ষেত্রে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে৷
শুখার মরশুমের শুরুতেই পানীয় জলের তীব্র হাহাকার দেখা দিয়েছে আমবাসা মহকুমার বিভিন্ন এলাকায়৷ দীর্ঘ ২ মাস ধরে কুলাই নেতাজি নগর এলাকায় তীব্র জলের সংকট চলছে৷ ফলে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে এলাকার জনগণ৷ অবশেষে বুধবার একপ্রকার বাধ্য হয়ে এলাকাবাসীরা আমবাসা- কমলপুর সড়ক অবরোধে বসে৷ সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ডিসিএম তাপস কুমার সিনহা, সহ আমবাসা থানার পুলিশ৷ দীর্ঘসময় আলোচনা হয় অবরোধকারীদের সাথে৷ প্রায় দু’’ঘণ্টা পর ডিসিএম তাপস কুমার সিনহার আশ্বাসে অবরোধমুক্ত হয় কমলপুর-আমবাসা সড়ক৷ এক সাক্ষাৎকারে এলাকাবাসীরা জানায় দীর্ঘ দু’’মাস ধরে জলের সমস্যায় ভুগছে তারা, পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে দপ্তরকে জানালেও কোনো লাভ হয়নি৷ তাই তারা বাধ্য হয়ে সড়ক অবরোধ করেছে৷