উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্যে ৩০টি একলব্য স্কুলের অনুমোদন কেন্দ্রের

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১০ ফেব্রুয়ারী৷৷ জনজাতিদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যে ৩০টি একলব্য মডেল সুকলের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ এর মধ্যে মেঘালয়ে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে সবচেয়ে বেশি সুকল অনুমোদিত হয়েছে৷ মেঘালয়ে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ১২টি একলব্য মডেল সুকলের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র৷ এদিকে, ত্রিপুরার জন্য তিনটি একলব্য মডেল সুকলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে৷ ত্রিপুরায় সুকল নির্মাণে জমির জরিপ এবং মাটি পরীক্ষার কাজ ইতিমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে৷ আজ সোমবার লোকসভায় সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক ও অন্যান্যদের তারকা চিহ্ণবিহীন প্রশ্ণের জবাবে এই তথ্য দিয়েছেন কেন্দ্রীয় উপজাতি কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী রেণুকা সিং সারুতা৷


প্রসঙ্গতস একলব্য মডেল সুকল দুই ধরনের, একটি রেসিডেন্সিয়াল এবং অন্যটি একলব্য মডেল ডে বোর্ডিং সুকল৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, ত্রিপুরার কিল্লায় একলব্য মডেল ডে বোর্ডিং সুকলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে৷ একলব্য মডেল রেসিডেন্সিয়াল সুকলের বাকি ২৯টি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যের জন্য অনুমোদন দিয়েছে উপজাতি কল্যাণ মন্ত্রক৷


তিনি জানান, অরুণাচল প্রদেশে ২০১৭-১৮ এবং ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে একটি করে একলব্য সুকলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে৷ এছাড়া, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে অসমে একটি, মণিপুরে তিনটি, মেঘালয়ে ১২টি, মিজোরামে তিনটি, নাগাল্যান্ডে ছয়টি এবং ত্রিপুরার জন্য তিনটি একলব্য সুকলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে৷


কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, ত্রিপুরায় একলব্য সুকল নির্মাণের সমস্ত দায়িত্ব সিপিডব্লিউডি-কে দেওয়া হয়েছে৷ ইতিমধ্যে নির্মাণকারী সংস্থা জমির জরিপ এবং মাটি পরীক্ষার কাজ সমাপ্ত করেছে৷ এই আবাসিক সুকল জনজাতি ছেলেমেয়েদের শিক্ষার নতুন দ্বার খুলে দেবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় উপজাতি কল্যাণ মন্ত্রক৷