নয়াদিল্লি, ৪ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : লোকসভা নির্বাচনের আগে দলীয় নেতারা যাতে পশ্চিমবঙ্গে সভা-সমাবেশ করতে পারে সেই দাবিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল বিজেপি।
সম্প্রতি রাজ্যে যোগী আদিত্যনাথ, অমিত শাহের সভায় করা নিয়ে প্রবল বাধা দেয় রাজ্য সরকার। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সভা ঘিরেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল।

লোকসভা নির্বাচনের আগে দলীয় নেতারা যাতে পশ্চিমবঙ্গে সভা-সমাবেশ করতে পারে সেই দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচনের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। সোমবার সকালে একটি বিজেপির প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে যায়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মালা সীতারমণ, সংখ্যালঘু বিষয়কমন্ত্রী মুক্তার আব্বাস নাকভি, রাজ্যসভার সাংসদ ভুপেন্দ্র যাদব, এস এস আলুওয়ালিয়া, কৈলাশ বিজয়বর্গী।নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে আসার পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি অনুকূল নয়। এর জন্যই আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্বারস্থ হয়েছি। তৃণমূল কংগ্রেস যে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, তার প্রমাণও তুলে ধরেছি। বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গী বলেন, বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি সভা যাতে না করতে পারে তার জন্য বাধা সৃষ্টি করছে তৃণমূল কংগ্রেস।
এর আগে বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, বিজেপির অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত। সেখানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দলের আধিকারিকরাও নিগৃহীত হচ্ছে। পুলিস সুপারের জেরায় বাধা দিতে পথে নামছেন মুখ্যমন্ত্রী। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চলা তদন্তে রাজনৈতিক মন্তব্য করছেন তিনি। তাই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাই পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা বজায় রাখতে অবিলম্বে কড়া পদক্ষেপ করা উচিত নির্বাচন কমিশনের।লোকসভা নির্বাচন ঘোষণা হলেই রাজ্য প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনারের কাছে। তার আগে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কে খবর নিতে ইতিমধ্যে রাজ্য পুলিসের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক সেরেছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। যদিও সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন না কলকাতার পুলিস কমিশনার রাজীব কুমার।