দেশজুড়ে সিপিএমের বিক্ষোভ ৪ঠা

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩০ জানুয়ারি ৷৷ নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ২০১৬ প্রত্যাহারের দাবিতে আঘেও প্রতিবাদমুখর হয়েছে মার্কবাদী, কমিউনিস্ট পার্টি৷ তথাপি সংখ্যাধক্যের জোরে লোকসভার বিলটি পাশ করিয়ে নিয়েছে সরকার পক্ষ৷ বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে লোকসভায় এই বিলটি পাশ করানো গেলেও সুপ্রিমকোর্টে জোর ধাক্কা খাবে বলে জানিয়েছে সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক৷


রাজ্য সম্পাদক গৌতমবাবুর কথায়, আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকেই ফের বসছে সংসদের অধিবেশন৷ এই অধিবেশনের সময়কালেই সরকার পক্ষ বিলটি রাজ্যসভাতেও পাশ করানোর জন্য জোর সওয়াল করবে নিশ্চিত৷ সিপিআইএম’র পক্ষ থেকে ২৫ জানুয়ারি পলিটব্যুরোরর এক সিদ্ধান্তক্রমে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে বিক্ষোভ দেখাবে সিপিআইএম৷ রাজ্যেও পৃথক পৃথক ভাবে বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ দেখাবে সিপিআইএম৷ তিনি জানান, গত ২৮ ডিসেম্বরও এই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল প্রত্যাহারের দাবিতে দিল্লিতে বেশ কটি রাজনৈতিক দল গণধর্না সংগঠিত করেছে৷


সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক এদিন আরও বলেছেন, প্রথম থেকেই কেন্দ্রের মোদি সরকার একটা হিন্দুত্বের এজেন্ডা কার্যকরী করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে৷ এতে করে সংবিধানের যে মূল কথা, তাকেই ধূলোয় মিশিয়ে দেবার চেষ্টা হচ্ছে৷ বলেন, একতা, ধর্ম-বর্ণ, সম্প্রদায়, সংসৃকতি নির্বিশেষে যে একতা তাতেও বাঁধা দানের চেষ্টা৷ বিষয়টি সংবিধানের পরিপন্থী৷ ধর্মনিরপেক্ষ এই দেশে এসব মেনে নেওয়া যায় না৷ িেদন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, প্রচন্ডভাবেই এখন কাজ এবং খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে৷ বিশেষ করে পাহাড়ে খাদ্যভাবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে এখন৷ এ ধরনের পরিস্থিতিকে তিনি রাজ্য কংগ্রেস, টিইউজেএস সরকারেরর চেয়েও (১৯৮৮-৯২) সূচনীয় বলে মনে করেন৷ রাজ্যে চুরির ঘটনাও বাড়ছে বলে তাঁর অভিযোগ৷ এছাড়াও রাজ্যে গণতন্ত্র নেই বলে অভিযোগ এনে এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই আবার অন্য রাজ্যে গিয়ে গণতন্ত্রের পাঠ দিচ্ছেন বলে ঠাঠা করেই ছাড়লেন শেষমেশ৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *