নয়াদিল্লি, ২৩ জানুয়ারি (হি.স.) : নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ১২২-তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ট্যুইট করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ নিজের ট্যুইটবার্তা লিখেছেন, ‘নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তীতে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাই। তিনি আমাদের সর্বাধিক প্রিয় জাতীয় নায়কদের মধ্যে একজন এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম পথিকৃত। আজও সমগ্র দেশবাসী তাঁকে প্রভূত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করে।নেতাজির স্মরণে উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু লেখেন, ‘বীরত্ব, দেশের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা এবং দূরদর্শিতাকে প্রণাম জানাই। প্রত্যেক নাগরিকের উচিত তাঁর জীবন এবং সংগ্রামকে অধ্যায়ন করা। নেতাজি বিশ্বাস করতেন দেশকে সেবা করার জন্য আধ্যাত্মিক এবং সামরিক প্রশিক্ষণ অত্যন্ত প্রয়োজন। তাঁর সাহসিকতা এবং দেশাত্মবোধ প্রত্যেক ভারতবাসীকে অনুপ্রাণিত করবে শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ ভারত গড়তে।’

প্রধানমন্ত্রী নিজের ট্যুইটবার্তায় লেখেন, ‘ভারতের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। তাঁর আদর্শের পথে চলতে এবং এক শক্তিশালী ভারত গড়তে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।’১৮৯৭ সালের ২৩ জানুয়ারি ওডিশার কটকে জন্মগ্রহণ করেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। রাজনৈতিক জীবনের শুরুদিকে কংগ্রেসে যোগদান। কলকাতার মেয়র। জাতীয় কংগ্রেসের দুইবারের সভাপতি। একাধিকবার ব্রিটিশদের হাতে কারাবন্দী। রাতের অন্ধকারে মহানিষ্ক্রমণ। আগফানিস্তান হয়ে জার্মানিতে হিটলারের সঙ্গে সাক্ষাৎ। জার্মানিতে বন্দিতে ভারতীয় সেনারাই প্রথমে সুভাষচন্দ্র বসুকে নেতাজি হিসেবে সম্ভোধন করেন। সাবমেরিনে জাপান যাত্রা। পরে আজাদহিন্দ ফৌজের সর্বাধিনায়ক। মণিপুরের মৈরাঙকে ব্রিটিশ মুক্ত করা। আজও জাতীয় ও নাগরিক জীবনে গোটা দেশ নেতাজিকে গভীর ভাবে শ্রদ্ধা করে থাকে।