নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৫ আগষ্ট৷৷ গুয়াহাটি থেকে প্রায় ২৮ কিমি লামডিং রেলওয়ে ডিভিশনের অন্তর্গত ডিগারু এবং পানবাড়ির মধ্যবর্তী জায়গায় একটি পণ্যবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়েছে৷ তাতে, গুয়াহাটি এবং লামডিং রুটে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে৷ বহু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে৷ সমস্যায় পড়েছেন কাঞ্চনজঙ্ঘা এবং হামসফর এক্সপ্রেসের যাত্রীরাও৷ কারণ, অন্যান্য ট্রেনের পাশাপাশি আগরতলা-শিয়ালদহ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস এবং আগরতলা- বেঙ্গালুরু ক্যান্টমেন্ট হামসফর এক্সপ্রেসকে দাঁড় করে রাখা হয়েছে৷ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসকে লামডিং স্টেশনে এবং হামসফর এক্সপ্রেসকে হোজাই স্টেশনে দাঁড় করে রাখা হয়৷ এদিকে, দেওঘর এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ে আগরতলা স্টেশন থেকে রওয়ানা দেয়নি৷
এদিন বেলা সাড়ে এগারটা নাগাদ পণ্যবাহী ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়৷ গুয়াহাটি থেকে লামডিং যাওয়ার পথে ঘটনাটি ঘটে৷ গণ্যবাহী ট্রেনের ২০টি বগির মধ্যে ৫টি বগি সম্পূর্ণ উল্টে যায়৷ ফলে, সকাল থেকেই ওই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে৷ এই ঘটনার পর ডাবল ট্র্যাকের একটি লাইনে কয়েকটি যাত্রীবাহী ট্রেন চালানো হলেও পরবর্তীতে তাও বন্ধ করে দেওয়া হয়৷ ফলে, ওই রুটে আপ-ডাউন মিলিয়ে ১৯টি যাত্রীবাহী ট্রেন বাতিল করার পাশাপাশি সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে চারটি যাত্রীবাহী ট্রেন৷ এছাড়া সাতটি ট্রেনকে অন্যান্য রেল স্টেশনে দাঁড় করে রাখা হয়৷
এদিকে, পণ্যবাহী ট্রেন দূর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল ও সরঞ্জাম নিয়ে ছুটে গেছেন রেলের উচ্চ পদস্থ ও পদস্থ আধিকারীকরা৷ মালিগাওস্থিত পূর্বোত্তর সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারীক প্রণবজ্যোতি শর্মা এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন৷
এই দূর্ঘটনার জেরে ট্রেন বাতিল এবং কিছু ট্রেন আংশিক বাতিল ও কিছু ট্রেনকে বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড় করে রাখায় যাত্রীরা ভীষণ সমস্যায় পড়েছেন৷ শেষ পাওয়া খবরে জানা গেছে, সব ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়নি৷ রাজ্যের দুটি বিলম্বে চলছে৷ আগরতলা থেকে দেওঘর এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ে ছাড়েনি৷ রাত দশটায় এই ট্রেনের রওয়ানা দেওয়ার সূচী থাকলেও দীর্ঘসময় ধরে স্টেশনে দাঁড়ানো রয়েছে৷ ফলে, যাত্রীরা বুঝতে পারছিলেন না কখন এই ট্রেন রওয়ানা দেবে৷