
প্রসঙ্গত, শুক্রবার দিল্লির তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল| বিশেষজ্ঞদের মতে মশাবাহিত রোগের প্রভাব জুলাই মাসের শুরু থেকে নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত বেশি দেখা যায়| তাদের মতে মশাবাহিত রোগের পাদুর্ভাব চলতি বছরে অনেক আগে থেকে লক্ষ্য করা যাচ্ছে| মতিপাল হাসপাতালের ডাক্তার সঞ্জীব বাগই জানিয়েছেন, গত কিছুদিন ধরে হাসপাতালের ওপিডি-তে ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে| বেশির ভাগ রোগীর মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত ভাইরাল জ্বরের সংখ্যা বেশি দেখা যাচ্ছে| বেশির ভাগ রোগীর মধ্যে জ্বরের সঙ্গে শরীরে ব্যথার মত উপসর্গ দেখা দিচ্ছে| যার ফলে রোগীদের মধ্যে বমি এবং এলার্জির মত উপসর্গ দেখা দিচ্ছে| ডাক্তারদের পরামর্শ এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দু’দিনের মধ্যে রোগীকে ডাক্তার দেখানো উচিত|
সরগঙ্গা হাসাতালের মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান ডাক্তার এসপি বোতরা জানিয়েছেন, গত দুই সপ্তাহে অনেক রোগী প্রচন্ড গরমে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে দেখাতে আসছেন| সেখানে রোগীদের মধ্যে বেশি প্রচন্ড জ্বর এবং বমির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে| তিনি জানান, রোগীদের মধ্যে টাইফয়েড, ডায়রিয়া সহ ফুডপয়েজিং-এর মত রোগগুলি বৃদ্ধি পাচ্ছে | যার লক্ষণ অনেকটা ডেঙ্গু আক্রান্তের মত| ডাক্তারদের পরামর্শ এই অবস্থায় মানুষকে খুব বেশি করে জল খেতে হবে|