গজারিয়ায় উদ্ধার বেআইনী কাঠসহ অন্যান্য সামগ্রী, বনদস্যুরা পলাতক

নিজস্ব প্রতিনিধি, চড়িলাম, ২৪ ডিসেম্বর৷৷ শনিবার সকালে বিশালগড় থানার অধীন গজারিয়া এলাকা থেকে গোপন সংবাদের

গজারিয়ায় উদ্ধার করা কাঠ ও স মিল৷ শনিবার তোলা নিজস্ব ছবি৷
গজারিয়ায় উদ্ধার করা কাঠ ও স মিল৷ শনিবার তোলা নিজস্ব ছবি৷

ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিশালগড় বন বিভাগের আধকারীক পৌষালি রায়ের নেতৃত্বে পুলিশ ও বন কর্মীরা বেআইনী স মিল ও কাঠ বাজেয়াপ্ত করেছে৷ সেই সঙ্গে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে দুটি জেনারেটর৷
এদিকে, বেআইনী জিনিষপত্র উদ্ধার করলেও এই অবৈধ্য বাণিজ্যের সাথে জড়িতদের ধরতে পারেনি বন দপ্তরের কর্মীরা ও পুলিশ কর্মীরা৷ এদিনের অভিযোনে ছিলেন বিশালগড়ের এসডিপিও প্রবীর পাল সহ থানার ওসি৷ গজারিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে৷ উদ্ধার করা সামগ্রীর দাম প্রায় আট লক্ষ টাকা৷
অভিযোগ উঠেছে, শাসক দলের স্থানীয় কিছু নেতা আইন কানুনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে এই অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন৷ বেআইনী স মিল বসিয়ে সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে গাছের লগ এনে এই মেশিনে কাঠ করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে৷ রাজ্যের বন নিধন করার যে প্রক্রিয়া তা দীর্ঘদিন ধরেই চলছে৷ এই ব্যাপারে বন দপ্তরের কর্মীরা মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিচ্ছে৷ কিন্তু, বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই বন দপ্তরের কর্মীরা শীতঘুমে আচ্ছন্ন থাকেন৷ আবার এও অভিযোগ উঠেছে বন দপ্তরের একাংশ কর্মীর সাথে বনদস্যুদের গোপন সমঝোতার ভিত্তিতে এই বেআইনী বাণিজ্য চলছে৷ তবে, বিশালগড়ের বন বিভাগের আধিকারীর পৌষালি রায় জানিয়েছেন বনদস্যুদের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান আগামীদিনেও জারী থাকবে৷ অবাক ঘটনা মালামাল উদ্ধার হলেও বনদস্যুরা ফেরার৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *