৬ জুন, ১৯৮১, বিহার রেল দুর্ঘটনা, মৃতের সংখ্যা ৮০০:
ভারতীয় রেলের ইতিহাসে এটি সম্ভবত সবচেয়ে ভয়ানকত দুর্ঘটনা। বিহারের শহরসায় একটি প্যাসেঞ্জার ট্রেন পরে যায় বাঘমতী নদীর জলে। কেউ বলে সাইক্লোনের জন্য, কেউ বলে বন্যার জন্য, কেউ বলে চালকের ভুলেই সেদিন নদীতে পড়েছিল ট্রেন।
২০ আগস্ট, ১৯৯৫, ফিরোজাবাদ ট্রেন দুর্ঘটনা, মৃতের সংখ্যা ৩৫৮ :
ফিরাজাবাদের কাছে দিল্লিগামী পুরুষোত্তম এক্সপ্রেস ও কালিন্দি এক্সপ্রেসে ধাক্কা লাগে। যাত্রীবাহি পুরুষোত্তম এক্সপ্রেসে পেছন থেকে এসে ধাক্কা মারে অন্য ট্রেন। প্রাণ যায় ৩৫৮ জনের। বলা হয়, একটি গরুকে ধাক্কা মেরে কালিন্দি এক্সপ্রেস দাঁড়িয়ে পড়ায় এই ঘটনা ঘটেছিল।
২ আগস্ট, ১৯৯৯, গাইসল দুর্ঘটনা, মৃতের সংখ্যা ২৬৮ :
ভারতীয় রেলের ইতিহাসে অন্যতম উল্লেখযোগ্য দুর্ঘটনা। সারা দেশকে একেবারেই শোকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল এই ঘটনা। ব্রহ্মপুত্র মেলে ছিলেন ভারতীয় সেনাকর্মীরা। গাইসলে স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিল আওয়াধ আসাম এক্সপ্রেস। সিগনালিংয়ের ভুলে হঠাৎই পিছন থেকে এসে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনটিতে সজোরে ধাক্কা মারে ব্রহ্মপুত্র মেল। ট্রেনে ভিতর থেকেই যাত্রীরা ছিটকে পড়েন কয়েশো মিটার দূরে। ধাক্কার তীব্রতার আকাশে উঠে যায় ব্রহ্মপুত্র মেলের ইঞ্জিন বগি।
২৬ মে, ১৯৯৮, খান্না দুর্ঘটনা, মৃতের সংখ্যা ২১২ :
শিয়ালদা–জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেস সরাসরি ধাক্কা মারে গোল্ডেন টেম্পল এক্সপ্রেসে। আগেই রেল ট্র্যাকের দুর্ঘটনায় বেলাইন হয়ে পড়েছিল গোল্ডেন টেম্পল এক্সপ্রেস। পিছন থেকে তখন ধাক্কা মারে জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেস। ঘটনায় প্রাণ যায় ২১২ জনের।
২৮ মে, ২০১০, জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনা, মৃতের সংখ্যা ১৭০ :
ভারতে মাওবাদীদের ঘটানো ঘৃণ্য হামলা গুলির মধ্যে এটি সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। হওড়া কুর্লা লোকমান্য তিলক জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেসে পশ্চিম মেদিনীপুরের রাত দেড়টা নাগাদ হামলা চালানো হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ১৫০–র বেশী মানুষের।
2016-11-20