কালোবাজারীর জন্য মজুত ১০০০ লিটার পেট্রোল ও ডিজেল উদ্ধার উদয়পুরে

নিজস্ব প্রতিনিধি, উদয়পুর, ২ আগস্ট৷৷ রাজ্যে পেট্রো পণ্যের সংকট অব্যাহত রয়েছে৷ রাজধানী আগরতলা শহরে সংকট

উদয়পুরের ফুলকুমারীতে উদ্ধার করা হয় ১০০০ লিটার পেট্রোল ও ডিজেল৷ ছবি নিজস্ব৷
উদয়পুরের ফুলকুমারীতে উদ্ধার করা হয় ১০০০ লিটার পেট্রোল ও ডিজেল৷ ছবি নিজস্ব৷

মোকাবেলার জন্য প্রয়াস জারি থাকলেও জেলা ও মহকুমা শহরগুলিতে সংকট এখনো চরমে৷ ফলে ঐসব এলাকায় দুর্ভোগ বহাল রয়েছে৷ সে কারণেই অবরোধ পথ অবরোধ সহ নানা অঘটন প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে৷
রাজ্যে যখন পেট্রোল সংকট চলছে তখন এক শ্রেণীর কালোবাজারি বে-আইনীভাবে পেট্রোল জমিয়ে রেখে চড়া দামে বিক্রি করছে৷ প্রতিদিন ট্যাঙ্কার আসলেও সংকট এখনো চলছে৷ অবশেষে এই সংকটের নিরসনে কালোবাজারীদের পাকড়াও করতে ময়দানে নামল উদয়পুর মহকুমা প্রশাসন৷ মঙ্গলবার দুপুরে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উদয়পুর শহরের ফুলকুমারি এলাকা থেকে প্রায় ১০০০ লিটার পেট্রোল-ডিজেল উদ্ধার করল প্রশাসন৷
খুলে গেছে আসামের লোয়ারপোয়া দিয়ে জাতীয় সড়ক৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও রাজ্যে পেট্রোপণ্য সংকট৷ প্রতিদিন ট্যাঙ্কারের পর ট্যাঙ্কার ধর্মনগর ডিপো থেকে রওয়ানা হলেও প্রতিটি পেট্রোল পাম্পে দেওয়া হচ্ছে না৷ পেট্রোল পাশাপাশি ডিজেলও৷ পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি না মিললেও খোলাবাজারে চড়াদামে বিক্রি হচ্ছে৷ ২০০-২৫০ কিংবা ৩০০ টাকা লিটার করে খোলা বাজারে কালোবাজারীরা পেট্রোল বিক্রি করে চলেছে৷ সাধারণ মানুষের তরফে এই অভিযোগ আসা মাত্রই নড়েচড়ে বসেছে উদয়পুর মহকুমা প্রশাসন৷ মঙ্গলবার গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযানে নামেন উদয়পুর মহকুমা শাসক শুভাশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র দত্ত সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী৷ অভিযান চালিয়ে মহকুমার ফুলকুমারি এলাকা থেকে প্রায় ১০০০ লিটার পেট্রোল ডিজেল ও কেরোসিন উদ্ধার করে৷ মহকুমা শাসক জানান এগুলি অবৈধভাবে মজুত ছিল৷ তবে কাউকেই গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি৷
এদিকে, এই খবরে মহকুমাবাসীর মধ্যে আলোড়ন পড়ে যায়৷ দাবি উঠেছে প্রশাসন এই ধরনের অভিযান জারি রাখুক৷ সাধারণ জনগণের বক্তব্য খাদ্য দপ্তরের দাবি অনুযায়ী প্রতিদিন আসছে পেট্রোল ডিজেল৷ তাহলে কি পেট্রোল পাাম্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কালোবাজারিদের গোপন সমঝোতার কারণেই পেট্রোল ডিজেল সংকট? উঠছে প্রশ্ণ৷