আগরতলা, ১০ ফেব্রুয়ারি (হি.স.)৷৷ ত্রিপুরায় লাফিয়ে বেড়েছে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের সংখ্যা৷ ফলে এক ধাক্কায় বহুগুণ কমেছে বাড়িতে সন্তান প্রসবের সংখ্যাও৷ তাতে রাজ্যে শিশুমৃত্যুর হার অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে৷
স্বাস্থ্য দফতরের তথ্যে দেখা গেছে, ২০১৭-১৮ বর্ষে প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারির সংখ্যা ছিল ৪৭,৮২৭৷ ২০১৮-১৯ বর্ষে ছিল ৪৭,০০৭৷ কিন্তু ২০১৯-২০ বর্ষে তা বেড়ে হয়েছ ৪৮,৯০৪৷ তেমনি ২০২০-২১ বর্ষে কোভিড পরিস্থিতির মধ্যেও রাজ্যে আরও বেড়ে ২৬,৫৩৭টি প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব হয়েছে৷ অন্যদিকে ২০১৭-১৮ বর্ষে বাড়িতে প্রসব বা হোম ডেলিভারির সংখ্যা ছিল ৩,৭৪১, ২০১৮-১৯ বর্ষে ৩,৩৩৬, ২০১৯-২০ বর্ষে ৩,২৫০ এবং ২০২০-২১ বর্ষে ২,১৮২৷
ফলে শিশুমৃত্যুর হারও ব্যাপক হ্রাস হয়েছে৷ স্বাস্থ্য দফতর তথ্য দিয়ে জানিয়েছে, ২০১৭-১৮ বর্ষে শিশুমৃত্যু হয়েছিল ৯৯৯টি, ২০১৮-১৯ বর্ষে ৮৫৯টি এবং ২০২০-২১ বর্ষে ৫৩৬টি৷ নিচুস্তরে স্বাস্থ্য শিবির সংগঠিত করার সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে৷ ২০১৭ সালে স্বাস্থ্য শিবির হয়েছিল ১২,৪৯৩টি৷ ২০১৮ সালে ১৩,৩৬১টি, ২০১৯ সালে ১৪,০৭৩টি এবং ২০২০ সালে কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে ৬,৪৮৯টি স্বাস্থ্য শিবির অনুষ্ঠিত হয়৷
এদিকে, আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জনআরোগ্য যোজনায়ও ত্রিপুরায় ১৪ লক্ষ মানুষ তাঁদের কার্ড করেছেন এবং পরিষেবা পাচ্ছেন৷ যা লক্ষ্যমাত্রার ৮৩ শতাংশ বলে দাবি করেছে স্বাস্থ্য দফতর৷ স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, আয়ুষ্মান যোজনার ক্ষেত্রে যে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল দক্ষিণ জেলায় তার মধ্যে ৯৬ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে, গোমতি জেলায় ৯৫ শতাংশ, পশ্চিম জেলায় ৯৭ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে৷ খোয়াই জেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে গেছে৷ ১০৮ শতাংশ আয়ুষ্মান কার্ড বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে৷

