রাঙ্গাছড়া কান্ডের হয়নি রহস্য ভেদ, লেজেগোবরে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৪ মার্চ৷৷ সিধাই মোহনপুরের রাঙ্গাছড়া গ্রামের যুবতীর অগ্ণিদগ্দ হয়ে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে রাজ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা যেমন চরমে তেমনি রাম পুলিশের ভূমিকা নিয়েও নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় বইছে৷ প্রথমে যুবতী নিখোঁজ হওয়ার খবর মা-বাবা থানায় জানালেও পুলিশের দায়সারা মনোভাব এবং মৃতদেহ উদ্ধারের পর যেভাবে গোটা ঘটনাকে অন্য মোড় দেওয়ার চেষ্টা, পুরোটাতেই পুলিশের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া গেল৷ শাসক দল বিজেপি থেকে শুরু করে সমস্ত রাজনৈতিক দলের চোখেই পুলিশ ভিলেন হয়ে গিয়েছে৷ মৃতদেহ উদ্ধারের পর প্রতিবেশী ম্যাজিক চালকের দিকে আঙুল উঠেছিল৷ পুলিশ তাকে আটক করেছিল৷ কিন্তু, প্রায় চবিবশ ঘন্টা পর পুলিশ ঠেলায় পড়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে৷ সেই সাথে একটি মামলা নিয়েছে৷ মামলাটি হয়েছে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩৬৪, ৩০২, ৩৭৬(ডি), ২০১, ৩৪ ধারা মোতাবেক৷ মামলা নিয়ে পুলিশ শনিবার ম্যাজিক চালক সৌরভ পালকে গ্রেপ্তার করেছে৷ আগামীকাল তাকে আদালতে সৌপর্দ করা হবে৷ সিধাই থানার পুলিশের দাবি খুব শীঘ্রই এই বর্বরোচিত ঘটনার সাথে জড়িত অন্যদেরও জালে তোলা হবে৷ এদিকে, যুবতীর অগ্ণিদগ্দ হয়ে মৃত্যুর ঘটনার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফ থেকে যেমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হচ্ছে, তেমনি মহিলা কমিশনও এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে পুলিশের একহাত নিয়েছে৷


রাঙ্গাছড়া গ্রামে যুবতীর অগ্ণিদগ্দ মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সরেজমিনে খোঁজ খবর নিল মহিলা কমিশন৷ কমিশনের চেয়ারপারসন বর্ণালী গোস্বামীর দাবি, ওই যুবতীকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে৷ আত্মহত্যা করেছেন বলে তিনি মনে করছেন না৷ তিনি দোষীর কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন৷ সাথে তিনি বর্বরতম ঘটনা নিয়ে রাজনীতির বদলে মানুষের মূল্যবোধ গড়ে তুলতে সকলকে সহায়তা করার আবেদন জানিয়েছেন৷


প্রসঙ্গত, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার সিধাই থানাধীন রাঙ্গাছড়া গ্রামে খালি জমিতে গতকাল সকালে এক যুবতীর অগ্ণিদগ্দ মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল৷ বছর বাইশের ওই যুবতী বৃহস্পতিবার বিকেলে কেনাকাটার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন৷ তার পর আর বাড়ি ফেরেননি৷ রাঙ্গাছড়া গ্রামের ওই যুবতীর পরিবার ওইদিন রাতেই সিধাই থানার দ্বারস্থ হয়েছিলেন৷ কিন্তু পুলিশ তাঁদের কোনও সহযোগিতা করেনি বলে মৃতার মা সীমা দেব অভিযোগ করেছেন৷ তিনি বলেন, স্থানীয় বাসিন্দা গাড়ি চালক সৌরভ পালের কাছে তাদের মেয়ের মোবাইল রয়েছে৷ তাঁদের ধারণা সৌরভই তাঁর মেয়েকে খুন করেছে৷ ওই যুবতীর পরিবারের অভিযোগে পুলিশ গাড়ি চালক সৌরভ পালকে গ্রেফতার করেছে৷


শনিবার ত্রিপুরা রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন বর্ণালী গোস্বামী স্বপার্ষদ রাঙ্গাছড়া গ্রামে ওই যুবতীর বাড়িতে যান এবং সমস্ত বিষয়ে খোঁজখবর নেন৷ মৃতার মায়ের সাথে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন এবং ঘটনা সম্পর্কে অবগত হন তিনি৷ ওই ঘটনা নিয়ে পুলিশের সাথেও কথা বলেছে মহিলা কমিশন৷ এ-বিষয়ে কমিশনের চেয়ারপারসন বর্ণালী গোস্বামী বলেন, মৃতার মায়ের বক্তব্য অনুসারে ধৃত গাড়ি চালক সৌরভ পাল তাঁর মেয়েকে প্রায়ই বিরক্ত করত৷ কিন্তু ওই ছেলের সাথে কোনও রকম সম্পর্কে যেতে রাজি ছিল না তাঁর মেয়ে৷ তাই তিনি ধারণা করছেন, হয়ত গুরুত্ব পাচ্ছে না দেখে তাঁর মেয়েকে নৃশংসভাবে খুন করেছে সৌরভ৷
বর্ণালী গোস্বামীর কথায়, ওই যুবতী আত্মহত্যা করেছেন বলে মনে হচ্ছে না৷ কারণ, তাঁর শরীর যেভাবে পুড়েছে তাতে আত্মহত্যা বলে মেনে নেওয়া অসম্ভব৷ তাঁর দাবি, ওই যুবতীকে খুন করে আগুনে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে৷ তিনি বলেন, ধৃত যুবক সৌরভ পালের জবানবন্দি থেকে জানা গেছে, ঘটনার আগেরদিন কিছুটা সময় তার সাথেই ছিল ওই যুবতী৷ তবে, পুলিশের তদন্তে ওই ঘটনায় সমস্ত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন৷ সাথে তাঁর ধারণা, ওই যুবতীর মৃত্যুর ঘটনাকে পুলিশ আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেবে না৷ তিনি বলেন, ময়না তদন্ত এবং ফরেন্সিক রিপোর্ট আসার পর সমস্ত বিষয় পরিষ্কার হয়ে যাবে৷
এদিকে, যুবতীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় ত্রিপুরায় বিরোধীরা রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করছে৷ সরকারের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে ইতিমধ্যে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন রাস্তায় নেমে পড়েছে৷ গণতান্ত্রিক নারী সমিতিও আজ বিক্ষোভ মিছিল সংগঠিত করেছে৷ শুধু তা-ই নয়, কংগ্রেস নেতা সুবল ভৌমিক আজ সকালে রাঙ্গাছড়া গ্রামে গিয়ে ওই যুবতীর পরিবারের সাথে দেখা করেছেন এবং ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন৷ ত্রিপুরায় নারী সুরক্ষিত নন বলে তিনি অভিযোগ করেছেন৷
এ-বিষয়ে মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন বর্ণালী গোস্বামী বলেন, ওই যুবতীর সাথে বর্বরতম ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়৷ বরং, কীভাবে এ ধরনের ঘটনা প্রতিহত করা যায়, তা নিয়ে ভাবা খুবই জরুরি৷ তাঁর কথায়, এ ধরনের ঘটনা প্রতিহত করার বদলে কোনও একটি রাজনৈতিক দল কিংবা সরকারকে দোষারোপ করলে উদ্দেশ্য সফল হবে না৷ রাজনীতির ঊর্ধ ওঠে আমাদের সকলকে তা মোকাবিলা করতে হবে৷ কারণ, মানুষের মধ্যে মূল্যবোধ গড়ে তোলা সম্ভব না হলে এমন ঘটনা প্রতিহত করা যাবে না, বলেন তিনি৷

রাঙ্গাছড়া গ্রামে যুবতীর অগ্ণিদগ্দ মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকায় ষড়যন্ত্র দেখতে পাচ্ছে বিজেপি৷ শুধু তা-ই নয়, বিরোধীরা ওই ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াতে চাইছেন বলে অভিযোগ শাসক দলের৷ শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে ত্রিপুরা বিজেপির প্রদেশ কমিটির মুখপাত্র নবেন্দু ভট্টাচার্য এ-কথা বলে দোষীর কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন৷
পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার সিধাই থানাধীন রাঙ্গাছড়া গ্রামে গতকাল সকালে খালি জমিতে যুবতীর অগ্ণিদগ্দ মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল৷ তাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ উঠেছে৷ ওই ঘটনা ত্রিপুরার জনমনে ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলেছে৷ বিরোধীরা সুযোগ পেয়েই মাঠে নেমে পড়েছেন৷ শনিবার কংগ্রেস নেতা সুবল ভৌমিক ওই যুবতীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেছেন৷ ওই সময় স্থানীয় কয়েকজন দুষৃকতী তাকে হুমকি দিয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন৷
আজ নবেন্দু নাম না করে কটাক্ষের সুরে বলেন, রাজনীতিতে অনেকে আছেন সবসময় মৃতদেহ খুঁজে বেড়ান৷ কোনও একটি ঘটনা নিয়ে উত্তেজিত করার রসদ সংগ্রহ করেন তারা৷ আসলে রাজনীতিতে ব্রাত্য হয়ে পড়ায় জমি খুঁজে পেতেই নোংরা খেলায় মেতে উঠেন এঁরা৷ তিনি বলেন, রাঙ্গাছড়ার ঘটনায় নোংরা রাজনীতি করার বদলে দোষীর শাস্তির জন্য আওয়াজ ওঠা উচিত৷ তাঁর দাবি, ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল অভিযুক্ত সিপিএম সমর্থক৷ তাঁর কঠোর শাস্তি হোক, দাবি জানিয়েছেন তিনি৷ সাথে তিনি ওই পৈশাচিক ঘটনায় তীব্র নিন্দাও জানিয়েছেন৷
এদিন তিনি সুর চড়িয়ে বলেন, অস্থিরতা সৃষ্টির জন্যই বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা সেখানে গিয়েছিলেন৷ পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নিক, চাইছে বিজেপি৷ তাঁর দাবি, রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ানো ওই সব নেতাদের একমাত্র লক্ষ্য৷ তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে৷ সাথে তিনি স্বীকার করেন, ওই যুবতীর মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের গাফিলতি রয়েছে৷ তবে এর পেছনে ত্রিপুরা সরকারকে বদনাম করার ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে তিনি দাবি করেন৷

সিধাই থানা এলাকার মোহনপুরের রাঙ্গাছড়ায় অগ্ণিদগ্দ করে এক যুবতীকে হত্যার ঘটনা সম্পর্কে শোকাহত পরিবার পরিজনদের কাছ থেকে খোঁজ খবর নিতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন কংগ্রেস নেতা সুবল ভৌমিক সহ মহিলা নেত্রীরা৷ আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাননি চিত্র সাংবাদিকরাও৷ সাংবাদিককে মারধর করে ক্যামেরা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে৷
ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা সুবল ভৌমিক৷ কংগ্রেস নেতা সুবল ভৌমিক মোহনপুরের রাঙ্গাছড়ায় যুবতীকে ধর্ষণ শেষে অগ্ণিদগ্দ করে হত্যার ঘটনাকে হায়দ্রাবাদের পশু চিকিৎসক ডাঃ প্রিয়াঙ্কা রেড্ডির হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এ ধরনের ঘটনা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না৷ ঘটনা সম্পর্কে খোঁজ খবর নিতে গিয়ে কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল এবং সফরত সাংবাদিকরা আক্রমণের শিকার হয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন৷
সুবলবাবু বলেন, তারা যখন শোকাহত মা ও মাসীর সঙ্গে কথা বলছিলেন তখনই তাদের উপর হামলা সংগঠিত করা হয়৷ ঘটনা সম্পর্কে শোকাহত পরিবারের লোকজনরা হাতে কোন কিছু বলতে না পারেন সেজন্য নিহত মন্টি দেবের মাকে চুলের মুঠি ধরে টেনে হ্যাচড়ে ধরে নিয়ে গেছে বলে জানান তিনি৷ দুষৃকতিকারীরা শোকাহত পরিবারের বাক স্বাধীনতা পর্যন্ত হরণ করেছে৷ সফরত সাংবাদিকদের উপরও তারা আক্রমণ করেছে৷ ক্যামেরা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে৷ রাজ্যে সংবাদ মাধ্যমের অধিকারও হরণ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন৷ ঘটনা প্রত্যক্ষ করে পুলিশ ঠুঁঠো জগন্নাথের ভূমিকা পালন করেছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন৷
হত্যাকাণ্ডের মামলা নথীভুক্ত না করতে আইনমন্ত্রী পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন সুবল বাবু৷ ঘটনার জড়িত যে যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সে পঞ্চায়েতের সমিতির ভাইস চেয়ারপার্সনের ভাই বলেও জানান সুবল বাবু৷

সিধাই মোহনপুরের রাঙ্গাছড়ায় যুবতীকে জ্যান্ত অগ্ণিদগ্দ করে হত্যার ঘটনা ও ঘটনা সম্পর্কে খোঁজ খবর নিতে যাওয়া বিরোধী দলের নেতাদের উপর হামলা, বাধা দান এবং সর্বোপরি সাংবাদিকদের উপর হামলা ও ক্যামেরা ভাঙচুর ছিনতাইয়ের ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার আগরতলায় প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল সংগঠিত করেছে গণতান্ত্রিক নারী সমিতি৷ রাজ্য সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ণ তুলেছেন গণতান্ত্রিক নারী সমিতির বর্ষীয়ান নেত্রী রমা দাস৷
শনিবার আগরতলায় প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিলে সামিল হয়ে তিনি বলেন, বিগত বাম সরকারের আমলে সাংবাদিকরা নির্ভয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করেছেন৷ বর্তমান সরকার সাংবাদিকদের অধিকার কেড়ে নেবার চেষ্টা করছে৷ শনিবার মোহনপুরে সাংবাদিক আক্রান্তের ঘটনায় নারী নেত্রী রমা দাস গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন৷ সত্য ঘটনা হাতে জনসমক্ষে বেরিয়ে আসতে না পারে সেজন্যই তারা সাংবাদিকদের উপর হামলা হুজ্জুতি সংগঠিত করে চলেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন৷ রাঙ্গাছড়ায় ২২ বছরের যুবতীকে অগ্ণিদগ্দ করে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের খোঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে নারী সমিতির পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে৷

শোকাহত পরিবার পরিজনদের সঙ্গে দেখা করে ঘটনা সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন৷ মোহনপুরের রাঙ্গাছড়ায় যুবতীকে হত্যা ও অগ্ণিদগ্দ করার ঘটনাকে রাজ্যের লজ্জা ও মানবজাতির লজ্জা বলে আখ্যায়িত করেছেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন৷ তিনি বলেন, মানুষ সচেতন না হলে কোন সরকারের পক্ষেই এ ধরনের ঘটনা বন্ধ করা সম্ভব নয়৷ সুদীপ বাবু বলেন, এ ধরনের ঘটনা কোন ব্যক্তির একার পক্ষে সংগঠিত করা বিশ্বাসযোগ্য নয়৷ এই ঘটনায় যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন৷


পুলিশ কোন ঘটনার কিনারা করতে পারে না তা বিশ্বাসযোগ্য নয়৷ পুলিশ ইচ্ছে করলে সব ঘটনারই কিনারা করতে পারে৷ এক্ষেত্রেও পুলিশ সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে তিনি মনে করেন৷ সুদীপ বাবু বলেন, আমাদের রাজ্যে এ ধরনের দুর্ভাগ্যজনক, পাশবিক, অমানবিক, হিংস্রতম, বর্বরতম ঘটনা ঘটবে তা আমাদের প্রত্যাশার বাইরে৷ তা কখনোও বাবেনি৷ কিছুদিন আগে হায়দ্রাবাদের ডাঃ প্রিয়াঙ্কা রেড্ডির ঘটনা যেমন দেশবাসীর মাথা লজ্জায় হেট করেছে, আমাদের রাজ্যের রাঙ্গাছড়ায় ঘটনাও লজ্জায় মাথা হটে করে দিয়েছে৷ এটি একটি পরিকল্পিত ঘটনা বলেও তিনি উল্লেখ করেন৷ বিদ্যুৎহীন করে ঘটনা সংগঠিত করেছে৷