নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৭ মার্চ৷৷ ত্রিপুরা হাইকোর্ট বার নির্বাচনের ফলাফল মিলিঝুলি হয়েছে৷ সম্মানিত পদাধিকারী আসনে বিরোধীরা জয়ী হয়েছেন৷ কিন্তু, সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিজেপি উঠে এসেছে৷ ১১ আসনের ত্রিপুরা হাইকোর্ট বার নির্বাচনে ১৩ জন জয়ী হয়েছেন৷ কারণ, দুইটি আসন যুগ্মভাবে প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন৷ নির্বাচনী ফলাফলে দেখা গিয়েছে, বিজেপি লিগ্যাল সেল ৭টি এবং সংবিধান বাঁচাও মঞ্চ ৬টি আসনে জয়লাভ করেছে৷ কিন্তু, সভাপতি এবং সম্পাদক পদে মঞ্চ জয়ী হয়েছে৷ ফলে, হাইকোর্ট বার মিলিঝুলি বলেই মনে হচ্ছে৷ কারণ, হাইকোর্ট বার পরিচালনার দায়িত্বে কে থাকবে তা নিয়ে জটিলতা রয়েই গেছে৷
আজ সকাল ১০টা থেকে ত্রিপুরা হাইকোর্ট বার নির্বাচন শুরু হয়৷ দুপুর দেড়টা পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া৷ দুপুর আড়াইটা থেকে গণনা শুরু হয়৷ সন্ধ্যায় ফলাফল ঘোষণা করেন বার নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার৷ নির্বাচনী ফলাফলে দেখা গিয়েছে সভাপতি পদে মঞ্চের প্রার্থী শঙ্কর কুমার দেব(৮৯টি) কল্যাণ নারায়ণ ভট্টাচার্যী-কে(৮৭) পরাজিত করেছেন৷ সহ-সভাপতি পদে বিজেপি লিগ্যাল সেলের হারাধন সরকার(৯৪) দেব রঞ্জন চৌধুরী-কে(৭৯) পরাজিত করেছেন৷ এদিকে, সম্পাদক পদে মঞ্চের প্রনবাশিষ মজুমদার(৮৯) দেবালয় ভট্টাচার্যী-কে(৮৮) হারিয়ে জয়ী হয়েছেন৷ তবে সহ-সম্পাদক পদে সৌগত দত্ত(৮৮) এবং সুমিত দেবনাথ(৮৮) যুগ্মভাবে জয়ী হয়েছেন৷ কিন্তু, কোষাধ্যক্ষ পদে লিগ্যাল সেলের রাজীব সাহা(৯১) কৌশিক দত্ত-কে(৮৫) হারিয়ে জয়ী হয়েছেন৷
এদিকে, সদস্য পদে কৌশিক নাথ(৯২) এবং প্রদ্যুৎ মাইশান(৯২) যুগ্মভাবে জয়ী হয়েছেন৷ এছাড়া সদস্য পদে জয়ী হয়েছেন, অনুজিৎ দে(৯৭), দীপা সেনগুপ্ত(৯৩), রিয়া চক্রবর্তী(৯৬), সাগর বণিক(৯৮) এবং সৈকত সাহা(১০১)৷ এই ফলাফল নিয়ে বিজেপি লিগ্যাল সেলের সদস্য তথা পিপি রতন দত্ত বলেন, গত নির্বাচনে মাত্র তিনটি আসনে বিজেপি লিগ্যাল সেল জয়ী হয়েছিল৷ এবার তে বেড়ে হয়েছে ৭টি৷ শুধু তাই নয়, ভোটের হার অনেক বেড়েছে৷ প্রদেশ কংগ্রেস অস্থায়ী সভাপতি তথা বরিষ্ঠ আইনজীবী পীযুষ কান্তি বিশ্বাস বলেন, ত্রিপুরা হাইকোর্টেও জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে সংবিধান বাঁচাও মঞ্চ৷ বার-র সম্মানিত পদাধিকারী পদে মঞ্চের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন৷ তাতে স্পষ্ট, বিজেপি-র প্রতি মানুষের অনাস্থা ফুটে উঠেছে৷

