আট দফা দাবীতে আগরতলায় আইন অমান্য আন্দোলন শ্রমজীবী মহিলা সমন্বয় কমিটির

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৬ মার্চ৷৷ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে আগরতলায় আইন অমান্য আন্দোলন করেছে শ্রমজীবী মহিলা সমন্বয় কমিটি৷ আটটি দাবি নিয়ে এই আন্দোলনে যোগ দিতে সারা রাজ্যে থেকে জাতি জনজাতি অংশের মহিলারা আন্দোলনে সামিল হয়েছে৷ সিআইটিইউ রাজ্য দপ্তরের সামনে থেকে মিছিল বের হয়ে আগরতলা শহরের বিভন্ন পথ অতিক্রম করে সদর মহকুমা অফিসের সামনে যাবার সময় স্থানীয় বিরেন্দ্র ক্লাবের সামনে পুলিশ ব্যারিকেড করে মিছিল আটকে দেয়৷ মিছিলের সবাইকে গ্রেফতার করে অস্থায়ী জেল উমাকান্ত একাডেমি সুকলের মাঠে নিয়ে যায়৷


সেখানে উপস্থিত মহিলা কর্মীদের সামনে ভাষণ দেবার সময় রাজ্য আহ্বিয়াকা পাঞ্চালি ভট্টাচার্য বলেন দাবিগুলি যদি রাজ্য সরকার না মানে তাহলে আগামীদিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে৷ সারা ভারত জুড়ে ছয়টি দাবি নিয়ে এই আন্দোলন করা হয়েছে৷ ত্রিপুরার ক্ষেত্রে আরও দুইটি দাবি যোগ করা হয়েছে৷ নারী নির্যাতনে ত্রিপুরা এখন দ্বিতীয় স্থানে৷ উত্তরপ্রদেশের পরেই ত্রিপুরা৷মহিলাদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে সবাইকে পথে নেমে আন্দোলন করার জন্যে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি৷ রাজ্যে বিভিন্ন ধর্ষণ কান্ডে দোষীদের আড়াল করে রাখছে রাজ্য সরকার, বিজেপি এবং বিশ্ব হিন্দুপরিষদ৷ রাজ্যে নারীরা কোন ন্যায় বিচার পাচ্ছে না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি ৷

গত দুই বছরে মিড ডে মিল কর্মীরা কাজ হারিয়েছেন৷ তাদেরকে কাজে পুনর্বহাল করাও দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে৷ ক্যা, এনপিআর, এনআরসি’র বিরোধিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন৷ আইনসভায় এক তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ, সমকাজে সমমজুরী, নূন্যতম মজুরী মাসে ২১ হাজার টাকা ৷ নারীদের স্বাধীনতা গুরত্ব এবং বিশ্বাস করতে চায়না বলে বিজেপি বিশ্বহিন্দু পরিষদ এবং আর এস এস মহিলা সংরক্ষণের বিলটি লোকসভায় উথাপন করতে চাইছে না ৷


কেন্দ্রের সরকার কে স্বৈরচারী উগ্র মৌলবাদী এবং ধর্মীয় উন্মাদনা পরিচালিত বলে উল্লেখ করেছেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যা রমা দাস৷ তিনি বলেন, তারা দেশের সংবিধানকে মানছে না ৷ রাজ্যের সরকার একই অবস্থায় চলছে৷ এই জনবিরোধী সরকারটিকে ক্ষমতা থেকে টেনে হিচড়ে নামানোর জন্যে আরও বেশি করে নারীদের জমায়েত করার আবদেন করেন রামা দাস৷ বিজেপি সরকার জনগনের সঙ্গে প্রতারণা করে বলে অভিযোগ করেন তিনি ৷