নিজস্ব প্রতিনিধি, কুমারঘাট, ২৭ ফেব্রুয়ারি৷৷ সম্প্রতি বিলেতি মদের নতুন লাইসেন্স পাবার জন্য ফটিকরায় বিধানসভার চেবরী চৌমুহনির বিষ্ণু মালাকার টেন্ডার জমা দেন বলে খবর৷ লাইসেন্স হাতে এলেই চেবড়ী চৌমুহনিতে খোলা হবে নতুন বিলেতী মদের দোকান৷ এই এলাকাটি একটি জনবহুল এলাকা, যেখানে নতুন মদের দোকান খোলার পরিকল্পনা করেছেন বিষ্ণু বাবু এর আশেপাশেই রয়েছে সুকল, কলেজ, হাসপাতাল৷ এলাকায় নতুন করে মদের দোকান খোলা হলে এলাকার যুবসমাজ ধবংসের মুখে যাবে, বিষিয়ে উঠবে পরিবেশ৷ এই কথা ভেবে এবারে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষ সঙ্গবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নামলেন৷
প্রশাসন যাতে ঐ এলাকায় মদের দোকানের অনুমতি না দেয় এই দাবিতে স্থানীয়রা কুমারঘাট-কাঞ্চনবাড়ি রাস্তার চেবরীতে পথ অবরোধে বসেন৷ তাদের দাবি এই জায়গায় যাতে কোনওভাবেই মদের দোকান বসানোর অনুমতি না দেয় প্রশাসন৷ বর্তমান সরকারের মুখ্যমন্ত্রী একদিকে রাজ্যকে নেশামুক্ত করে তোলার কথা বলে মাটঘাট গরম করছেন অন্যদিকে ঢালাও হারে বিলেতি মদের লাইসেন্স দিয়ে চলেছে ২৩ মাসের জোট সরকার৷ রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরই রাজধানী আগরতলা সরকারি তরফে যে বার খোলার অনুমতি মিলেছে তা হয়তো অনেকেরই জানা৷
এবারে সরকারি তরফে লাইসেন্স দেওয়ার আগেই এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে পথ অবরোধের মধ্য দিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলো এলাকার মানুষ৷ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য সম্প্রতি বিলেতি মদের নতুন লাইসেন্স পাবার জন্য ফটিকরায় বিধানসভার চেবরী চৌমুহনির বিষ্ণু মালাকার টেন্ডার জমা দেন বলে খবর৷ লাইসেন্স হাতে এলেই চেবড়ী চৌমুহনীতে খোলা হবে নতুন বিলেতী মদের দোকান৷ এই এলাকাটি একটি জনবহুল এলাকা, যেখানে নতুন মদের দোকান খোলার পরিকল্পনা করেছেন বিষ্ণুবাবু৷ এর আশেপাশেই রয়েছে সুকল, কলেজ, হাসপাতাল৷
এলকায় নতুন করে মদের দোকান খোলা হলে এলাকার যুবসমাজ ধবংসের মুখে যাবে, বিষিয়ে উঠবে পরিবেশ৷ এই কথা বেবে এবারে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষ সঙ্গবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নামলেন৷ প্রশাসন যাতে ঐ এলাকার মদের দোকানের অনুমতি না দেয় এই দাবিতে স্থানীয়রা কুমারঘাট-কাঞ্চনবাড়ি রাস্তার চেবরীতে পথ অবরোধে বসেন৷ এদিনের আন্দোলন এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে হলেও স্থানীয় বেশ কিছু বিজেপি কর্মীরাও সামিল হয়েছিলেন আন্দোলনে৷ রাস্তায় দাড়িয়ে উচ্চস্বরে স্লোগান দিতেও দেখা যায় তাদেরকে৷ সোজা কথায় বর্তমান জোট সরকারের কর্মী সমর্থকরাও এদিন প্রশাসনের বিরুদ্ধে তাদের ক্ষোভ জানালেন আন্দোলনে সামিল হয়ে৷ অবরোধের জেরে রাস্তার দুপাশে আটকে পরে যত্রানবাহন, সাময়িক দুর্ভোগ পড়েন সাধারণ মানুষ৷ খবর পেয়ে ছুটে আসে আবগারী দপ্তরের আদিকারিকরা৷ পরবর্তীতে তাদের আশ্বাসে অবরোধ মুক্ত হয় সড়ক৷
তবে এই এলাকায় যদি মদের দোকান খোলা হয় তবে আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা৷ সূত্রের খবর স্থানীয় শাসক দলীয় জনাকয়েকের প্রচ্ছন্ন মদতেই লাইসেন্স পাবার জন্য টেন্ডার জমা দিয়েছেন বিষ্ণু বাবু৷ এভাবে নতুন করে মদের দোকানের লাইসেন্স দিতে থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর নেশামুক্ত ত্রিপুরা করে হবে? প্রস্ন আমজনতার৷

