পালাটানায় দ্বিতীয় ইউনিটও বিকল, বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২০ ফেব্রুয়ারি৷৷ পালাটানায় দ্বিতীয় ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে গেছে৷ যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে গতকাল রাত থেকে পালাটানায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে পড়েছে৷ কারণ, প্রথম ইউনিট প্রায় পাঁচ মাস ধরে বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে৷ তবে ত্রিপুরায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পরিষেবায় কোনও সমস্যা হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন বিদ্যুৎ নিগমের সিএমডি ড় এমএস কেলে৷
পালাটানায় ওটিপিসি-র বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার পর থেকে ত্রিপুরায় বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত৷ শুধু তাই নয়, বলা যেতে পারে ত্রিপুরা লোডশেডিং-ফ্রি রাজ্য৷ ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বিক্রি করা হচ্ছে৷ কিন্তু, সেই পালাটানা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে গতকাল রাত থেকে পুরোদমে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে৷


প্রায় পাঁচ মাস ধরে পালাটানায় একটি ইউনিটের যন্ত্রাংশ সারাইয়ের কাজ চলছে৷ সম্প্রতি সংস্থার জনৈক আধিকারিক জানিয়েছেন, টারবাইনের একটি যন্ত্র পাল্টাতে হবে৷ সেই যন্ত্র এখন রাস্তায় রয়েছে৷ ত্রিপুরায় এসে পৌঁছালেই বিকল ইউনিট চালু করা সম্ভব হবে৷ এরই মধ্যে গতকাল রাতে দ্বিতীয় ইউনিট বিকল হয়ে পড়েছে৷ ওটিপিসি সূত্রে জানা গেছে, জেনারেটরের কার্বন ব্রাশ পুড়ে গেছে৷ তাই ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে৷ ফলে, ত্রিপুরায় এখন প্রচুর বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷


এ-বিষয়ে ত্রিপুরা বিদ্যুৎ নিগমের সিএমডি ড় এমএস কেলে আশ্বস্ত করেন, পালাটানায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হলেও ত্রিপুরায় লোডশেডিং হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি৷ তিনি বলেন, ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার এক্সচেঞ্জ থেকে ক্রয় করা হবে৷ এতে ঘাটতি মিটে যাবে৷ তাঁর দাবি, বাংলাদেশেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করা হবে না৷ তিনি বলেন, এখন অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা মরশুম৷ ফলে বিদ্যুতের চাহিদা অনেকটাই কম৷ তাই পালাটানায় উৎপাদন ব্যাহত হলেও ত্রিপুরায় কোনও সমস্যা হবে না৷ সাথে তিনি যোগ করেন, তিনদিনের মধ্যে পালাটানায় একটি ইউনিট চালু হয়ে যাবে৷ ফলে, বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে দুশ্চিন্তার প্রয়োজন নেই৷