ভোটের সূচি বিজেপির সুবিধা মতো করা হয়েছে, অভিযোগ প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর

নয়াদিল্লি, ১৬ মার্চ : বিধানসভা নির্বাচনের সময়সূচি ও নির্বাচন পরিচালনা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিরোধী নেতারা। সোমবার কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রা এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব অভিযোগ করেন, নির্বাচনের সময়সূচি বিজেপির সুবিধা মাথায় রেখেই নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, “যেভাবে নির্বাচনসূচি তৈরি করা হচ্ছে, ধাপ ভাগ করা হচ্ছে এবং ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হচ্ছে, তাতে মনে হয় সবটাই বিজেপির সুবিধার জন্য করা হচ্ছে।”

অন্যদিকে অখিলেশ যাদব অভিযোগ করেন, যে সব রাজ্যে কেন্দ্রের শাসক দল ক্ষমতায় নেই, সেখানে নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক স্তরে বদলির ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়।

তিনি বলেন, “যখনই নির্বাচন হয় এবং যদি দিল্লি বা রাজ্যের সরকার তাদের না হয়, তখন প্রথমেই ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (ডিজিপি), মুখ্যসচিবসহ বিভিন্ন শীর্ষ আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়া হয়।”

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, উত্তর প্রদেশে কখনও কি ডিজিপিকে নির্বাচনকালে সরানো হয়েছে? তাঁর কথায়, “উত্তর প্রদেশে কখনও কি ডিজিপি সরানো হয়েছে? সেখানে নির্বাচন হলে নির্বাচন কমিশনের কাছে বহু অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু কমিশন কি কখনও কাউকে সরিয়েছে?”

উল্লেখ্য, রবিবার নির্বাচন কমিশন অসম, কেরল, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচনের সূচি ঘোষণা করেছে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় বলা হয়েছে, অসম, কেরল এবং পুদুচেরিতে ৯ এপ্রিল এক দফায় ভোটগ্রহণ হবে। তামিলনাড়ুতেও ২৩ এপ্রিল একদিনেই ভোট হবে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে দুই দফায় ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে। সব রাজ্যের ভোটগণনা হবে ৪ মে।

এদিকে নির্বাচনসূচি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনাকে সরানোর নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত ডিজিপি পিয়ূষ পাণ্ডে এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকেও বদলি করা হয়েছে।

Leave a Reply