নয়াদিল্লি, ৪ মার্চ (হি.স.): কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব মঙ্গলবার ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ মাস কমিউনিকেশন (আইআইএমসি)-র সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে ভাষণ দেওয়ার সময় যুবকদের পরামর্শ দেন, রাষ্ট্র প্রথম চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য। তিনি বলেন, এটা সীমাহীন সুযোগের যুগ। এমতাবস্থায়, আমরা এই পরিবর্তনশীল সময়ের সদ্ব্যবহার কীভাবে করবো, তা আমাদের উপরই নির্ভর করছে।
আইআইএমসি-র চ্যান্সেলর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব মহাত্মা গান্ধী সভাগৃহে আইআইএমসি-র ৫৬তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ৯টি কোর্সের ৪৭৮ জন পড়ুয়াকে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা প্রদান করেন। এছাড়া ৩৬ জন শিক্ষার্থীকে তাদের পাঠ–শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ পদক ও নগদ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ডিপ্লোমা প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের এই দিনটি জীবনের একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, এখন জীবনের পরবর্তী পর্বে প্রবেশ হবে। তিনি এটিকে একটি রোমাঞ্চকর সময় হিসেবে বর্ণনা করেন এবং বলেন যে ব্যাপক পরিবর্তন আসছে। আগে কাজের সুযোগ সীমিত থাকলেও এখন নতুন সুযোগ আসছে। আজ আপনারা প্রত্যেকেই একটি নতুন উদ্যোগ তৈরি করতে পারেন। শিক্ষার্থীদের জীবনে আসা পরিবর্তনগুলিকে গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়ে বৈষ্ণব বলেন যে যারা পরিবর্তনগুলিকে গ্রহণ করে তারা জীবনে এগিয়ে যায়। কিছু মানুষ পরিবর্তন থেকে নিজেদেরকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে এবং পিছিয়ে পড়ে। যারা নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন এনে এগিয়ে যায় তারাই ভবিষ্যতে সফল। তিনি বলেন যে, কলেজের বাইরে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের তাদের কাজে মনোনিবেশ করার পরামর্শ দেন।
আইআইএমসি-র উপাচার্য ডঃ অনুপমা ভাটনাগর বলেন যে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি এখন ডিমড ইউনিভার্সিটির মর্যাদা পেয়েছে। ফলে এখন ডক্টরেট সহ ডিগ্রি প্রদানের জন্য অনুমোদিত আইআইএমসি। ডিমড বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এটি আমাদের প্রথম সমাবর্তন। চলতি বছরের ১৭ আগস্ট এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার ৬০ বছর পূর্ণ করবে।

