আগরতলা, ১৪ ফেব্রুয়ারি: স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত যতগুলো বাজেট পেশ করা হয়েছে তার মধ্যে একটিও বাজেট দরিদ্র, শ্রমিক, কৃষক, নারী পুরুষ অর্থাৎ সমাজের সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষায় হয়নি। যারাই রাষ্ট্রক্ষমতায় বসেছেন তারাই পুঁজিপতিদের স্বার্থে বাজেট পেশ করেছেন। বামপন্থী দলসমূহের ডাকে কর্পোরেট স্বার্থবাদী, জনবিরোধী কেন্দ্রীয় বাজেটের বিরুদ্ধে শুক্রবার রাজধানীর শকুন্তলা রোড এলাকায় আয়োজিত গণঅবস্থান এই কথা বলেন পলিটব্যুরোর সদস্য তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। এদিন বিকেলে সিপিআইএম, সিপিআই, আরএসপি, এফবি, সিপিআইএমএল যৌথ উদ্যোগে গণ অবস্থান অনুষ্ঠিত হয়।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরো বলেন, বামপন্থী পাঁচটি সংগঠনের উদ্যোগ কেন্দ্রীয় বাজেটের বিকল্প দাবি পার্লামেন্টে পেশ করা হয়েছে। কিন্তু সরকার তাতে কর্ণপাত করছে না। তাই বলে আন্দোলন রুখে দিলে চলবে না। এই আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে বলে জানান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি এদিন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সহ রেগার কাজ, বেকার সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন। বর্তমান সময়ে এই সমস্যা গুলি নিয়ে গণ আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে বলে দাবি করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, পার্লামেন্টের ভেতরে বিরোধী দল ও বাইরে জনগণকে সরকারের উপরে চাপ সৃষ্টি করতে হবে না হলে সরকার সাধারণ মানুষের উপরে করের বোঝা চাপিয়ে দেবে।
এদিন গণ বন্টন ব্যবস্থা নিয়েও সরব হয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তিনি বলেন, গণবন্টন ব্যবস্থাকে দিন দিন ভেঙে ফেলছে এই সরকার। গণ বন্টন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার দাবি পূরণ করার জন্য সরকারকে উদ্যোগ গ্রহন করার আহবান করেছেন তিনি। এছাড়াও পেট্রোল ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত কর জোড়ার বিষয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এরফলে পরিবহন বিভাগ এমনকি যাত্রীভাড়াও দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।