কলকাতা, ৮ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : শুক্রবার বিকাশ ভবনে বৈঠক ডাকে উচ্চশিক্ষা দফতর৷ এদিন পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ৩০টি সরকারি ও সরকারপোষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ৷ অন্যদিকে, সেই বৈঠকে না-যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে কার্যত হুইপ জারি করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস৷ রেজিস্ট্রারদের অনেকেই গড়হাজির ছিলেন।
এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে রাজ্য-রাজ্যপালের বিরোধের মাত্রা আরও বাড়ল।
বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের নির্দেশিকা উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে পৌঁছয় ৷ এই টানাপোড়েনের মধ্যে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের আচমকা পদত্যাগ করেন। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে৷ ছুটি নিয়েছেন নেতাজী সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারও।
রেজিস্ট্রারের পদত্যাগ প্রসঙ্গে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য রথীন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রেজিস্ট্রার আমাকে একটি পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন ৷ তা গ্রহণ করা হবে কি না সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি ৷” নূপুর দাস অবশ্য তাঁর ইস্তফা দেওয়া নিয়ে বলেন, “আমার মেয়াদ আর ক’দিন পরেই শেষ হবে ৷ তাঁর আগেই ব্যক্তিগত কারণে এবং পারিবারিক সমস্যা থাকায় পদত্যাগ করেছি ৷”
জুন মাস থেকে নূপুর দাসকে তিনমাসের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব দেওয়া হয়৷ আগামী ২০ সেপ্টেম্বর তাঁর সেই পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা৷ সময়ের আগেই তিনি পদত্যাগ করেন৷ তিনি আন্ডার গ্রাজুয়েট কাউন্সিলের দায়িত্বের পাশাপাশি রেজিস্ট্রারের পদও সামলাচ্ছিলেন৷
শিক্ষামহলের একাংশের মত, রাজ্য ও রাজভবনের এই সংঘাতে অনেক উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রারের মতো উচ্চাধিকারিকরা জড়াতে চাইছেন না৷ তাই তাঁরা পদত্যাগের পথ বেছে নিচ্ছেন৷

