ত্রিপুরায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা অনেকটাই সীমিত : কমিশনের চেয়ারম্যান

আগরতলা, ৮ ডিসেম্বর (হি. স.) : ত্রিপুরায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা অনেকটাই সীমিত। ত্রিপুরা রাজ্য মানবাধিকার কমিশন এবছরের নভেম্বর মাস পর্যন্ত ১১০টি অভিযোগের মধ্যে ৯০টিতে তদন্তক্রমে উপযুক্ত নির্দেশিকা দিয়েছে। আজ সচিবালয়ের কনফারেন্স হলে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে ত্রিপুরা রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান প্রাক্তন বিচারপতি স্বপন চন্দ্র দাস একথা জানান।

সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য প্রাক্তন জেলা বিচারপতি সুবীর সাহা, প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক বি কে রায়, কমিশনের সচিব ড. পি কে চক্রবর্তী। সাংবাদিক সম্মেলনে কমিশনের চেয়ারম্যান স্বপন চন্দ্র দাস কমিশনের এক্তিয়ার সম্পর্কে জানাতে গিয়ে বলেন, যদি কোন ব্যক্তির মানবাধিকার কোন সরকারি কর্মচারি অথবা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লঙ্ঘিত হয় সেই ক্ষেত্রে ত্রিপুরায় মানবাধিকার কমিশন তদন্তক্রমে রাজ্য সরকারকে নির্দেশিকা দিতে পারে।

সাথে তিনি যোগ করেন, ত্রিপুরার সাধারণ জনগণ এনজিও এবং রাজ্য মানবাধিকার কমিশনকে আলাদা করে চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়না। উল্লেখ্য, এনজিওগুলি মানবাধিকার সুরক্ষার জন্য কমিশনকে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু কোন এনজিও মানবাধিকার কমিশন নয়। এছাড়াও ব্যক্তিগত বিরোধগুলি মানবাধিকার কমিশনের আওতাধীন নয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি আরও জানান, কমিশনের বর্তমান সদস্যরা দায়িত্ব নেওয়ার পর কমিশনের কর্মপরিধি অনেকটা বেড়েছে। এর কাজকর্ম সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে অবহিত করার জন্য কমিশন বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় এবং বিভিন্ন এলাকাতে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান করার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অঙ্গ হিসেবে আগামী ১০ ডিসেম্বর আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উদযাপন করা হবে।

এবছরের বিশ্ব মানবাধিকার দিবসের ভাবনা হলো সকলের জন্য মর্যাদা, স্বাধীনতা এবং ন্যায়’। পরবর্তীতে মানবাধিকারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সেমিনার ও মতবিনিময় সভা হবে। উল্লেখ্য, ত্রিপুরা রাজ্য মানবাধিকার কমিশন ২০১৬ সালে গঠিত হয়।