সিপাহিজলা জেলায় একই রাতে একাধিক চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য

আগরতলা, ২ জানুয়ারি: শুক্রবার ভোররাতে সিপাহিজলা জেলায় একের পর এক চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জেলা পুলিশের এসপি অফিস ও জেলা শাসকের অফিস সংলগ্ন এলাকায় পাশাপাশি দুইটি গৃহস্থের বাড়ি ও একটি অটো থেকে চুরির অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতে চোরের দল ঘরের দরজা ভেঙে এক গৃহস্থের বাড়িতে ঢোকে। আক্রান্ত গৃহস্থ কাঠমিস্ত্রি দীপক গোস্বামী। তার অভিযোগ, ঘর থেকে একটি মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। তবে পরিবারের সদস্যরা টের পেয়ে যাওয়ায় চোরেরা দ্রুত পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।

একই সময়ে এসপি ও ডিএম অফিসের একেবারে বাউন্ডারি সংলগ্ন এলাকায় অটোচালক পিপাস সূত্রধরের অটো গাড়ি থেকেও চুরি হয়। অভিযোগ, অটো থেকে নগদ টাকা ও কিছু দামি সামগ্রী নিয়ে পালায় চোরের দল।

একই রাতে বিশ্রামগঞ্জ থানার অন্তর্গত পশ্চিম বড়জলা এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা ঘটে। গোলাঘাটি বিধানসভার ৪৫ নম্বর বুথ সভাপতি তথা বিশ্রামগঞ্জ বাজারের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী অভিজিৎ দেবনাথের মোটরবাইক চুরি করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থলটি সিপাহিজলা জেলা পুলিশ সুপার ও জেলা শাসক (ডিএম) অফিসের মাত্র কয়েক হাত দূরত্বে, জাতীয় সড়কের পাশেই অবস্থিত। অভিযোগ অনুযায়ী, চোরের দল অভিজিৎ দেবনাথের বসতঘরের গ্রিল ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাঁর টি আর ০১ কে ৪৭৫০ নম্বরের বাজাজ পালসার বাইকটি চুরি করে নিয়ে যায়।

সকালে বিষয়টি নজরে আসতেই বিশ্রামগঞ্জ থানায় খবর দেওয়া হয়। গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দপ্তরের এত কাছে এ ধরনের চুরির ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

একই রাতে একাধিক চুরির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন, জেলা পুলিশের এসপি অফিস ও ডিএম অফিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক এলাকার আশপাশে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত—তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

Leave a Reply