বিহার বিধানসভা সাধারণ নির্বাচন ও আটটি আসনে উপনির্বাচনের ঘোষণা : কার্যকর হল আদর্শ আচরণবিধি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে কঠোর নিয়ম জারি করল নির্বাচন কমিশন

পাটনা, ৯ অক্টোবর – আগামী বিহার বিধানসভা সাধারণ নির্বাচন ও আটটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই ৬ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে আদর্শ আচরণবিধি । নির্বাচন কমিশন এদিন জানিয়েছে, রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীদের ডিজিটাল প্রচারে যাতে স্বচ্ছতা ও শালীনতা বজায় থাকে, তার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে নতুন দিশা নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

নির্বাচন চলাকালীন দল ও প্রার্থীদের সামাজিক মাধ্যম এবং অন্যান্য ইন্টারনেট প্ল্যাটফর্মে প্রচারকাজে এমসিসি -র মূলনীতিগুলিকে মান্যতা দিতে হবে। এআই ব্যবহারে গঠনমূলক সীমারেখা নির্ধারণ করে কমিশন জানিয়েছে, কোনো রাজনৈতিক দলের সমালোচনা শুধুমাত্র তাদের নীতি, কর্মসূচি, অতীত রেকর্ড এবং কার্যকলাপের উপর ভিত্তি করেই করা যেতে পারে। কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ, যা প্রার্থীর বা কর্মীর ব্যক্তিজীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং জনজীবনে প্রাসঙ্গিক নয়, তা নিষিদ্ধ।

বিশেষত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর ডিপফেক ভিডিও বা ভুয়ো কনটেন্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে কমিশন।

নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহৃত যে কোনও ধরনের এআই-তৈরিকৃত বা ডিজিটালি পরিবর্তিত কনটেন্টকে স্পষ্টভাবে লেবেল দিতে হবে – যেমন: “এআই-জেনারেটেড”, “ডিজিটালি উন্নত”, বা “সিন্থেটিক কন্টেন্ট” – এই ধরনের ট্যাগ ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

কমিশন জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধির কোনওরকম লঙ্ঘন হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে এই পদক্ষেপগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে কমিশন জানিয়েছে।

এই নতুন নির্দেশিকা ডিজিটাল প্রচারে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।