আগরতলা, ৩ ডিসেম্বর: রামধারী খুনকান্ডে স্বীকারোক্তি দিল অভিযুক্ত গীতা রানী দেববর্মা ও সুমিত দেববর্মা। নিকটবর্তী জলাশয় থেকে খুন কাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রটি উদ্ধার হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা গিয়েছে, গত ২৮ নভেম্বর বিশালগড় থানাধীন বন দফতরের জঙ্গলের পাশ থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা হয়েছিল, খুন করে অ্যাসিড দিয়ে দেহ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত মৃতদেহ শনাক্ত করা যায়নি। আপাতত অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা হাতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছিল পুলিশ। পুলিশ তদন্তে নেমে ২৪ ঘন্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে মৃতব্যক্তি রামধারী। তার পকেট রেলের টিকেট ও একটি নম্বর পেয়েছিল পুলিশ। তার সূত্র ধরেই পুলিশ
বিশ্রামগঞ্জ বাপের বাড়িতে থাকা মৃতের স্ত্রীকে আটক করেন। গত ১০ বছর আগে রামধারী ও গীতা রানী দেববর্মা বিবাহ হয়েছিল। বর্তমানে তাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
আরও জানা গিয়েছে, বিশ্রামগঞ্জ বাপের বাড়িতে থাকা স্ত্রীর সাথে দেখা করতে হরিয়ানা থেকে এসেছিলেন নিহত রামধারী। দ্বিতীয় স্বামীকে সাথে নিয়ে প্রথম স্বামীকে স্টেশন থেকে নিয়ে যান অভিযুক্ত গীতা রানী দেববর্মা। পুলিশের ধারণা তখনই খুন করা হয়েছে রামধারীকে।
আজ রামধারী খুনকান্ডে স্বীকারোক্তি দিল অভিযুক্ত গীতা রানী দেববর্মা ও সুমিত দেববর্মা। নিকটবর্তী জলাশয় থেকে খুন কাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রটি উদ্ধার হয়েছে।