নিজস্ব প্রতিনিধি, কমলপুর, ২০ আগস্ট: নিম্নচাপের ফলে অতিরিক্ত বৃষ্টির দরুন ধলাই নদীর জল বেড়ে বন্যার কবলে কমলপুরের বহু গ্রাম। বিপন্ন বহু পরিবার। ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
গত তিনদিন যাবত নিম্নচাপের প্রভাবে অতিরিক্ত বৃষ্টির দরুন ধলাই নদীর জল বেড়ে বন্যার কবলে কমলপুরের বহু গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। দেখা গেছে, কমলপুর শহরের ফুলছড়ি এলাকায় ধলাই নদীর জল বেড়ে মানুষের বাড়ি ঘর ও রাস্তা ডুবে যায়। বিভিন্ন প্রান্তের ছোট বড় গাড়ি গুলি যাতায়াতে ক্ষেত্রে দুর্ভোগে পড়েন। বৃষ্টি থেমে নেই। ধলাই নদীর জল বেড়ে চলছে। বিপদ সীমা ছুই ছুই।
মঙ্গলবার ভোর ৩টা থেকে ধলাই নদীর জল বাড়তে শুরু করেছে। হালহূলী, বড়সুরমা, সিঙ্গিছড়া,পঞ্চাশী, মলয়া, মোহনপুর,কলাছড়ি , মানিক ভান্ডার মেথির মিয়া, কুচাইনালা সহ আরো কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়ে। মহকুমা শাসক লাল রিং নেতা ডারলং সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কর্মীদের নিয়ে বন্যায় বিপর্যস্ত গ্রাম গুলিতে গিয়ে উদ্ধারের কাজ শুরু করেছে। এতো ভয়াবহ বন্যা গত কুড়ি বছরে হয় নি।
হালহালী গ্রামের বন্যায় কবলিত মানুষ বলেন, মঙ্গলবার ভোর ৩টা থেকে ধলাই নদীর জল বাড়তে শুরু করে। এখন বাড়ি ঘর জলে ডুবে যায়। জিনিস পত্র নিয়ে খাটের উপর রেখেছি। জল বাড়ছে, বিপদ বাড়ছে। মহকুমা প্রশাসন থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কর্মকর্তারা দেখে যান। মহকুমা প্রশাসনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের এক কর্মকর্তা জানান, মহকুমা শাসকের মিটিং অনুযায়ী প্রাকৃতিক দুর্যোগের নৌকা ঠিক করে প্রথমে হালহূলী গ্রামে যাবো সেখানে বন্যায় কবলিত মানুষকে উদ্ধার করে কে সি গার্লস স্কুল রিলিফ ক্যাম্পে রাখবো। এরপর বড়সুরমা, সিঙ্গিছড়া, পঞ্চাশী, মলয়া, মোহনপুর ইত্যাদি গ্রামে গিয়ে উদ্ধারের কাজ করবো। এদিকে, বন্যায় উল্লেখিত গ্রামগুলোতে বাড়ি ঘরে ধলাই নদীর জল প্রবেশ করে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।