আগরতলা, ১৮ জুলাই: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অনলাইনে মনোনয়ন জমা নেওয়া এবং মনোনয়ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন নিয়ে ত্রিপুরা হাইকোর্ট দারস্থ হয়েছিল বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেস। আজ হাইকোর্টের বিচারপতি অরিন্দম লোধ এবং বিচারপতি এস ডি পুরকায়স্থের ডিভিশন বেঞ্চ এই দুটি মামলার আবেদনই খারিজ করে দিয়েছেন। কিন্তু রাজ্য সরকার ও পঞ্চায়েত নির্বাচন কমিশনকে সুষ্ঠু, অবাধ, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
এ-বিষয়ে আইনজীবী পুরুষোত্তম রায় বর্মন বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যে ব্যাপক হিংসা হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিরোধীদলের প্রার্থীরা মনোনয়ন দাখিল করতে পারছেন না। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের নিকট অনলাইনের মাধ্যমে মনোনয়ন জমা নেওয়ার জন্য কংগ্রেসের তরফ থেকে দাবি জানিয়ে আসলেও কোনো প্রতিকার মিলে নি। নির্বাচন কমিশন আইন দপ্তরের পরামর্শ অনুযায়ী কংগ্রেসকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে এবিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া অধিকার নেই। একমাত্র পঞ্চায়েত পরিচালনার দায়িত্বে থাকা রিটার্নিং অফিসারদের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া অধিকার রয়েছে।
পরবর্তী সময়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে অনলাইনে মনোনয়ন জমা নেওয়া এবং মনোনয়ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন নিয়ে কংগ্রেসের সভাপতি আশিস কুমার সাহা হাইকোর্টে রিট পিটিশন করেন। তেমনি, বামফ্রটের তরফ থেকেও একই আবেদন নিয়ে পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল। আজ বিচারপতি অরিন্দম লোধ এবং বিচারপতি এস ডি পুরকায়স্থের ডিভিশন বেঞ্চে দুটি মামলায় একই সাথে রায় দিয়েছে।
তিনি বলেন, একবার নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেলে উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপের সুযোগ খুবই সীমিত। তবুও রাজ্য সরকার ও পঞ্চায়েত নির্বাচন কমিশনকে সুষ্ঠু, অবাধ, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তবে, মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।

