কুমারঘাট সাব রেজিস্টারি অফিসে কাজকর্ম বন্ধ, ভোগান্তি আম জানতার

আগরতলা, ৭ মার্চ: কুমারঘাট সাবরেজিস্ট্রি অফিসে গত এক সপ্তাহ ধরে কোন কাজকর্ম হচ্ছে না। এতে স্বাভাবিক কারণেই আম জনতার সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। কুমারঘাট তহশীল অফিস সংলগ্ন এলাকায় মহকুমা সাব রেজিষ্টার অফিস অবস্থিত। সেখানে গত ১ মার্চ থেকে রেজিস্টারি হচ্ছে না।সপ্তাহে তিন দিন কাজ কর্ম হয়।

কুমারঘাট মহকুমা তিনটি বিধানসভা নিয়ে ঘটিত। এর মধ্যে রয়েছে ৫৯ নং পেচারথল বিধানসভা” ৫০ নং পাবিয়াছডা” এবং ৫১ নং ফটিকরায় বিধানসভা। এই তিন বিধানসভার জমি বিষয়ক সমস্ত কাজকর্ম এই অফিস থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। অফিসের সাব রেজিস্টার হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন ডি সি এম শুভঙ্কর সেন এবং দলিল রেজিস্ট্রির সুপারভাইজার পদে দায়িত্ব রয়েছেন সূর্য রায়।

সপ্তাহে সোম, বুধ, শুক্র এই তিনদিন রেজিস্ট্রি হয়। সাব রেজিস্ট্রি অফিসে নিযুক্ত সুপারভাইজার সূর্য রায় এক সপ্তাহ আগে বাইক দুর্ঘটনায় আহত হয়।বর্তমানে সূর্য রায় কৈলাশহরে চিকিৎসাধীন। ডেপুটেশনে কোন অফিসারকে নিয়োগ করা হয়নি। কুমারঘাট মহকুমার কাঞ্চনবাড়ি, ফটিকরায়, গঙ্গানগর গোকুলনগর,কৃষ্ণনগর বেতছডা, কাঞ্চনবাড়ি সোনাইমুড়ি, মাছমারা, পেচারথল সহ মহকুমার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মানুষজনকে সময় স্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে।

মহকুমাবাসীর দাবি , সাব রেজিস্ট্রি অফিসে অতি সত্ত্বর একজন অফিসারকে ডেপুটেশনে নিয়োগ করা হোক। তাছাড়াও কুমারঘাট সাবরে জিস্টারি অফিসে নানা সমস্যা রয়েছে। ডিসিএমের বিরুদ্ধে মর্জিমাফিক কাজ কর্মের অভিযোগ রয়েছে। সাধারন মানুষ,কৃষক, শ্রমিক ই রিক্সা চালক,কর্মচারীসহ ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়তে হচ্ছে। বিগত ২০২৩ নির্বাচনের আগে থেকে কুমারঘাট জুড়ে ইস্ট্যাম্পের সংকট চলছে। এতে মহকুমার মানুষ দের পয়সা খরচ করে কৈলাশহর থেকে ইস্ট্যাম্প আনতে হচ্ছে। এক সময়ে কুমারঘাটের কিছু দোকানে ই স্ট্যাম্প পাওয়া যায়। কিন্তূ এর বিনিময়ের এক্সট্রা ট্যাক্স দিতে হয়! পূর্বে কুমারঘাট কপারেটিভ ব্যাংকেই স্ট্যাম্প মিলত। বর্তমানে পাওয়া না।

উল্লেখযোগ্য, বিষয় যদি কোন ক্রেতা ১ কোটি টাকার জায়গা ক্রয় করে সেখানে ১ কোটি টাকার জায়গার বিনিময়ে পাঁ চ লক্ষ টাকার ইস্ট্যাম্প কিনতে হয়। সরকারি ফিস ধরা হয় এক লক্ষ টাকা। কুমার ঘাট এলাকায় ইস্টাম্পের সংকট থাকার কারনে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকার রেভিনিউ মার খাচ্ছে। রয়েছে কয়েকজন তহশিলদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ।নামজারির জন্য সরকার থেকে ১০০০ টাকা গভমেন্ট ফিস ধার্য রাখা হয়েছে। কিন্তূ সেখানে দেখা যায় কিছু কিছু তহশিলদার ১০০০ টাকার বদলে ২ হাজার টাকা ফিস আদায় করছে। কুমারঘাট বাসি এই সমস্ত সমস্যার সমাধান দাবী করছে।