আগরতলা,২৮ সেপ্টেম্বর : আন্তঃ সীমান্ত বানিজ্য প্রসার, যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নয়নের সঙ্গে লজিস্টিকস সাপোর্ট এর গুরুত্ব নিয়ে বৃহস্পতিবার আগরতলা প্রেসক্লাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগরতলা প্রেসক্লাব ও স্কুল অফ লজিস্টিকস, কমিউনিকেশন এবং ওয়াটারওয়েজ সিপার্ডের যৌথ উদ্যোগে এই তাৎপর্য পূর্ণ আলোচনা ও মতবিনিময় কর্মসূচি হয়েছে। আগরতলা প্রেসক্লাবের পরিচালন কমিটির সদস্য সহ পঞ্চাশ জন সাংবাদিক এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। অনন্য ভৌগোলিক অবস্থানে থাকার জন্য ত্রিপুরা ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলে ও বাংলাদেশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশের সাথে আন্তঃ সীমান্ত বাণিজ্যে শুধু ত্রিপুরার পণ্যই নয়, দেশের পূর্ববর্তী অন্যান্য রাজ্যগুলির পণ্যও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলিতে পাঠানো সহজ হয়ে যাবে। ত্রিপুরা এখন বিমান, সড়ক ও রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সাথে ভালভাবে সংযুক্ত এবং অচিরেই সাব্রুমের মৈত্রী সেতু খুলে গেলে চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ সম্ভব হবে। খুব শীঘ্রই চালু হতে যাচ্ছে আগরতলা আখাউড়া রেল সংযোগ। এই সব দিক লক্ষ রেখে আগরতলা প্রেস ক্লাব ও স্কুল অফ লজিস্টিকস, কমিউনিকেশন এবং ওয়াটারওয়েজ, সিপার্ড এর যৌথ উদ্যোগে “ক্রস বর্ডার ট্রেড অ্যান্ড কানেক্টিভিটি – মিডিয়ার ভূমিকা” শীর্ষক এক ইন্টারেক্টিভ সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে এদিন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় আগরতলা প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স হলে এই ইন্টারেটিভ সেশনে মূল বিষয়টি তথ্য ভিত্তিক তুলে ধরলেন স্কুল অফ লজিস্টিকস এর প্রধান ইঞ্জিনিয়ার সুশান্ত দত্ত।
এদিনের কর্মশালা সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে গিয়ে স্কুল অফ লজিস্টিক, কমিউনিকেশন ও ওয়াটার ওয়েজ এর প্রধান সুশান্ত দত্ত জানিয়েছেন, ত্রিপুরা সরকার স্কুল অফ লজিস্টিক, কমিউনিকেশন ও ওয়াটার ওয়েজ ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে পথ চলা শুরু করেছিল। বর্তমানে স্কুল অফ লজিস্টিক, কমিউনিকেশন ও ওয়াটার ওয়েজ কি কি কাজ করছে এবং আগামী দিনে তাদের কি পরিকল্পনা রয়েছে সে ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এদিন। তিনি এও জানান এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বর্ডার ট্ট্রেডিং। ট্রেডিং এর উপর ভিত্তি করে রাজ্যের লজিস্টিক সুবিধাগুলিকে উন্নত করাই হচ্ছে প্রধান বিষয়। এই উন্নয়নের জন্য যা যা দরকার, ভবিষ্যতে আর কি কি করা যেতে পারে, সেই সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময় করা হয়েছে। যাতে করে রাজ্যের মানুষ আরও বেশি উপকৃত হতে পারে। সেটাই ছিল এদিনের এক দিবসীয় কর্মশালার মূল বিষয় বস্তু।
আগরতলা প্রেসক্লাবের তরফে সভাপতি জয়ন্ত ভট্টাচার্য এবং সহ সভাপতি সাজ্জাদ আলি ভারত ভাগের আগের যোগাযোগ ব্যবস্থা গুলোর উল্লখ করে সেদিকে গুরুত্ব আরোপ করার বিষয় তুলে ধরলেন। গুরুত্বপূর্ণ এই আলোচনায় অংশ গ্রহণ করার জন্য সকলক অভিনন্দন জানিয়েছেন আগরতলা প্রেসক্লাবের সম্পাদক রমাকান্ত দে।