সোনামুড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ দের বাড়বাড়ন্ত সাংবাদিককে দেখে নেওয়ার হুমকি

আগরতলা, ২১ সেপ্টেম্বর।। সোনামুড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এম আরের বারবারন্ত, সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের এক প্রকার দেখে নেওয়ার হুমকি। সরকারি হাসপাতালে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ এর বারবাড়ন্ত সংবাদ মাধ্যমেই নিজ মুখে স্বীকার করলেন সোনামুড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ইনচার্জ। বৃহস্পতিবার দুপুর ২:৩০ মিনিটে এই ঘটনাটি ঘটেছে। রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি হাসপাতালগুলোতে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ কর্তব্য পালন করা অবস্থায় চিকিৎসকদের সামনে তাদের ঔষধ বিক্রি করার বিভিন্ন প্রচার তুলে ধরতে পারবেন না। কিন্তু একাংশ মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ প্রতিনিয়ত সোনামুড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্তব্যরত  চিকিৎসকদের তাদের মন পছন্দ ঔষধ রোগীদের লিখতে হবে বলো চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। সে খবর সংবাদ মাধ্যমে আসতেই সোনামুড়া মহকুমা কর্মরত সাংবাদিক মোহাম্মদ মামুন হাসপাতাল ছুটে যায় সংবাদ সংগ্রহ করতে ঠিক সেই সময় সোনামুরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ইনচার্জ প্রার্থপ্রতিম দাস নিজ মুখে স্বীকার করেন চিকিৎসকদের কর্তব্য পালন করা অবস্থায় মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ এর কিছু লোক প্রতিনিয়ত সোনামুড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আসে । যদিও উনি রোগী দেখা অবস্থায় তাদের সাথে কথা বলেন না। কিন্তু বার বার এসে বিরক্ত করে। যখন সাংবাদিক মোহাম্মদ মামুন মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ ক্যামেরা বন্দী করতে যান তখন মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ সাংবাদিককে এক প্রকার দেখে নেওয়ার হুমকি দেন পাশাপাশি সাংবাদিককে হেনস্তা ও করেন।  মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভের উদ্দেশ্য তাদের দেওয়া কোম্পানি ঔষধগুলি যতই বেশি ডাক্তার প্রেসক্রিপশন করতে পারবে ততই তাদের মুনাফা অর্জন হবে। রাজ্যে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে এই মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ গুষ্টি ব্যাঙের ছাতার মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। প্রতিনিয়ত ডাক্তারদের তাদের মনগড়া মত ওষুধ লিখতে হবে এখন বর্তমান সময়ে প্রতিনিয়ত সরকারি হাসপাতালগুলোতে তাই দেখা যায়। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী এ বিষয়ে কি ভূমিকা গ্রহণ করবেন সেই দিকে তাকিয়ে আছেন সোনামুড়াবাসী।