কিল্লা-২ ফুলো ঝানো-২
(কাজল্তি-২) (সুপ্রীয়া, ঝুমা)
ক্রীড়া প্রতিনিধি, আগরতলা, ২০ জুলাই।।
দু-দুবার এগিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না কিল্লা মর্ণিং ক্লাবের। শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগ করে মাঠ ছাড়তে হলো। নবাগত ফুলো ঝানো দলের বিরুদ্ধে। রাজ্য ফুটবল সংস্থা আয়োজিত মহিলা ফুটবল লিগে। বৃহস্পতিবার উমাকান্ত মিনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দু-দলের খেলাটির নিষ্পত্তি হয় ২-২ গোলে। ফলি বিফলে গেলো কাজল্তি রিয়াং এর জোড়া গোল। প্রথম বার মহিলা ফুটবলে অংশ নেওয়া ফুলো ঝানো দলের বালিকা ফুটবলাররা কিল্লা-র মতো শক্তিশালী দলকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারবে তা স্বপ্নেও ভাবতেই পারেননি কিল্লার টিম ম্যানেজমেন্ট। ফলে ম্যাচের শুরু থেকেই কিছুটা হালকা মেজাজে ছিলেন দলের ফুটবলাররা। আর এতেই কাল হলো দলের। দুবার গোল হজম করেও নবাগত দলের ফুটবলাররা যেভাবে ঘুরে দাড়িয়েছেন তাতে একসময় প্রশ্ন জেগেছিলো মরশুমের প্রথম জয় পেয়ে যাবে না তো? শুধুমাত্র আক্রমণভাগের ফুটবলারদের ব্যর্থতায় ওই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। দলের আক্রমণভাগে ফুটবলাররা নিজেদের দাযিত্ব যদি যথাযথ পালন করতে পারতেন তাহলে অবশ্যই ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারতো। ম্যাচ শুরুর ২৫ মিনিটের মাথায় কাজল্তি রিয়াং এর গোলে এগিয়ে যায কিল্লা মর্ণিং ক্লাব। তবে ব্যবধান বেশীক্ষণ ধরে রাখতে পারেননি। প্রথমার্ধের খেলা শেষ হওয়ার ১ মিনিট আগে সমতা ফেরান সুপ্রীয়া কিসপোট্টা। বিরতীর পর দুদলই আক্রমাত্তক ফুটবল খেলতে থাকে। বল দখলের লড়াইয়ে একে অপরকে ছাপিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। এরি মধ্যে ৫০ মিনিটে নিজের এবং দলের দ্বিতীয় গোল করে কিল্লা মর্ণিং ক্লাবকে আবারও এগিয়ে দেন কাজল্তি রিয়াং। ৬৪ মিনিটে ঝুমা ওরাং সমতা ফেরান। এরপর দুদলই বেশ কয়েকটি সুযোগ পেলেও আক্রমণভাগের ফুটবলারদের ব্যর্থতায় জাল নাড়াতে পারেনি। রেফারি পল্লব চক্রবর্তী হলুদ কার্ড দেখান কিল্লা মর্মিং ক্লাবের লক্ষ্মীতা রিয়াংকে।