আঙ্কারা , ১১ জুলাই (হি.স.): ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার বিষয়ে সুইডেনের প্রতি দীর্ঘদিনের আপত্তি তুলে নিয়েছে তুরস্ক। ফলে অবশেষে ন্যাটোয় যোগ দিতে চলেছে সুইডেন । সোমবার দীর্ঘ বৈঠকের পর সুইডেনের প্রতি আপত্তি তুলে নিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এর্দোগান। প্রসঙ্গত, ন্যাটোয় নতুন কোনও সদস্যের যোগদানের ক্ষেত্রে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে তুরস্কের। দীর্ঘদিনের আপত্তি উঠে যাওয়ার পরে খুশি সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন। তিনি বলেন, “সুইডেনের জন্য আজ খুশির দিন।
গত বছর জুন মাসের শেষের দিকে ন্যাটো সম্মেলনে জানানো হয়েছিল, ফিনল্যান্ড এবং সুইডেন ন্যাটোয় যোগ দিলে অমত নেই তুরস্কের। সম্মেলন শুরু হওয়ার আগে বৈঠক করেছিলেন তিন দেশের প্রতিনিধিরা। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, দুই দেশের যোগদান প্রসঙ্গে আপত্তি তুলে নেবে তুরস্ক । এই মর্মে মেমোরেন্ডাম সই করেন তিন দেশের বিদেশমন্ত্রী। ন্যাটোর তরফ থেকেও বিবৃতি দিয়ে এই কথা জানানো হয়। কিন্তু কয়েকদিন পরে আবারও বেঁকে বসে তুরস্ক।
এর্দোগানের অন্যতম প্রধান অভিযোগ ছিল, তুরস্কের অন্দরে কুর্দিশদের সমর্থন করে ফিনল্যান্ড ও সুইডেন। কুর্দিশদের জঙ্গি সংগঠন হিসাবে চিহ্নিত করেছে তুরস্কের সরকার। তবে শেষ পর্যন্ত নিজের অবস্থান বদল করেছে তুরস্ক। ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার জন্য সুইডেনকে সবুজ সংকেত দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট। তবে এখনও তুরস্কের পার্লামেন্ট সম্মতি পাওয়া বাকি। সেই সম্মতি পেলেই ন্যাটোর সদস্য হতে পারবে সুইডেন।
দীর্ঘদিনের আপত্তি উঠে যাওয়ার পরে খুশি সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন। তিনি বলেন, “সুইডেনের জন্য আজ খুশির দিন। ন্যাটোয় যোগদানের ক্ষেত্রে আজ বিশাল বড় পদক্ষেপ করা হয়েছে। অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করব আমরা। অন্যান্য ক্ষেত্রেও একে অপরের পাশে থাকব।” তবে তুরস্কের তরফে যৌথ বিবৃতি ছাড়া অন্য কোনও মন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।