ত্রিপুরায় কয়েক লক্ষ কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হবে : খাদ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ১১ জুলাই (হি.স.) : আজ থেকে ত্রিপুরায় ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। তাতে, ত্রিপুরায় কয়েক লক্ষ কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। আজ সকালে জিরানিয়া মহকুমার মাধববাড়ীস্থিত আন্তঃ রাজ্য ট্রাক টার্মিনাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রত্যয়ের সুরে একথা বললেন খাদ্য ও জনসংভরণ দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।

এদিন তিনি বলেন, আজ থেকে ত্রিপুরার  খাদ্য ও জন সংভরণ এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে রাজ্যের কৃষকদের কাছ থেকে সহায়ক মূল্যে চলতি রবি মরসুমের ধান কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই অঙ্গ হিসেবে আজ মাধববাড়ীস্থিত আন্তঃ রাজ্য ট্রাক টার্মিনাসে এফ.সি.আই -র উদ্যোগে জিরানিয়া মহকুমার কৃষকদের কাছ থেকে ন্যুনতম সহায়ক মূল্যে আবারও ধান কেনার কাজ শুরু হয়েছে। ত্রিপুরা সরকার কৃষকদের কাছ থেকে কুইন্টাল প্রতি ২০৪০ টাকা দরে ধান ক্রয় করছে। এবছর ত্রিপুরা সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ৩৫,০০০ মেট্রিক টন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়েছে।

তাঁর কথায়, ত্রিপুরায় কৃষকবন্ধুদের প্রতি মুখ্যমন্ত্রী সর্বদাই সহানুভূতিশীল। কৃষকরা খোলাবাজারে ধান বিক্রি করে যে দাম পান তার থেকে অনেক বেশি দাম পাবেন সরকারি ধান ক্রয়কেন্দ্রে।

শ্রী চৌধুরীর দাবি, এই কর্মসূচির ফলে ধানের মূল্য বৃদ্ধিতে কৃষকদের উৎসাহ বেড়েছে৷ ফলে, ফলনও বেড়েছে। তাতে, ত্রিপুরা সরকারের আর্থিক বোঝা বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। তাঁর কটাক্ষ, অতীতে ত্রিপুরায় এমএসপি-র মাধ্যমে ধান কেনার কোনও বন্দোবস্তই ছিল না। ফলে কৃষকরা বঞ্চিত হতেন। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *