করমণ্ডল বিপর্যয়ে মৃত্যু ঝাড়গ্রামের বাসিন্দা এক যাত্রীর

ঝাড়গ্রাম, ১৭ জুন (হি. স.) : ওড়িশার বাহানাগা স্টেশনে করমন্ডল ট্রেন দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুরের আলামপুর এলাকার এক যুবক। সেই ঘটনার ১৫ দিন পরে চিকিৎসা চলাকালীন অবস্থায় মৃত্যু হল বছর বাইশের শুভেন্দু বেজের।

উল্লেখ্য গত ২ জুন করমন্ডল এক্সপ্রেসের জেনারেল কামরায় চেপে কোম্পানিতে কাজের জন্য চেন্নাই যাচ্ছিলেন শুভেন্দু। ওড়িশার বাহানাগা স্টেশন ঢোকার মুখে করমন্ডল এক্সপ্রেস, মালগাড়ি ও যশবন্তপুর হাওড়া হামসফর এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সেই ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ২৮৯ জনের। আহত হয় হাজার জনের বেশি মানুষ। সেই দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রেনের জেনারেল কামরায় ছিলেন শুভেন্দু। দুর্ঘটনার পর দিন তাঁকে বালেশ্বরের একটি হাসপাতালে খুঁজে পেয়েছিলেন তার পরিবারের লোকজনেরা। তার মাথায় এবং বুকে আঘাত লাগা অবস্থায় সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বাড়িতে নিয়ে আসেন। বাড়িতে থাকা অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে গোপীবল্লভপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে তার তার অবস্থা আরও অবনতি হলে তাঁকে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে বেশ কয়েকদিন চিকিৎসা চলার পর তার শারীরিক অবস্থা আরও অবনতি হলে তাঁকে কোলকাতার এন আর এস হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানও কয়েকদিন চিকিৎসা চলার পর আরও অবনতি হতে হতে শুরু করে। এরপর তাঁকে সেখান থেকে দ্রুত স্থানান্তরিত করে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে তার চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। অবশেষে ১৫ দিনের মাথায় শনিবার দুপুরে এসএসকেএম হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। শুভেন্দু মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌছানোর পরেই নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া।