কলকাতা, ১৮ মে (হি. স.) : নিয়োগকাণ্ডে অভিযুক্ত ও ধৃত এসএসসি-র প্রাক্তন কর্তা মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে সুজয়কৃষ্ণ ওরফে কালীঘাটের কাকুর আঁতাঁতের অভিযোগ তুলেছে ইডি।
মানিকবাবুর ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট দেখিয়ে সুজয়কৃষ্ণকে প্রশ্ন করেন ইডি আধিকারিকরা। এর পরেই ইডি প্রকাশ্যে বুধবার দাবি করেছে, ‘কাদের কাদের চাকরি
হবে, তা মানিকবাবুকে বলে দিতেন কালীঘাটের কাকু’। ফোনে চ্যাট দেখিয়ে এই দাবি তুলেছে ইডি। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র অবশ্য অস্বীকার করেছেন এ কথা।
৭০ লক্ষ টাকা সুজয়কৃষ্ণকে দিয়েছিল কুন্তল, এমনই দাবি ইডি-র। ‘কুন্তলের বয়ানের কপি সামনে রেখে কালীঘাটের কাকুকে জেরা’ করেন ইডিয়আধিকারিকরা। ২০২১-র আগে মানিকবাবুর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল না বলে দাবি করেন সুজয়কৃষ্ণ।
নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। ইডির জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করা হয় সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রকে। এবার সামনে এসেছে মানিক ভট্টাচার্যর সঙ্গে সুজয়কৃষ্ণের আঁতাঁতের অভিযোগ। এমনই অভিযোগ করল ইডি।
এর আগে, চার্জশিটে ইডির তরফে দাবি করা হয়েছিল, বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিআইপি ডেভলপার্সের ১ হাজার ২০০ বর্গ ফুটের একটি বানিজ্যিক জায়গা কেনার জন্য ২০২০ সালে অগ্রিম হিসেবে ৪০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। সুজয়কৃষ্ণের বাড়িতে তল্লাশির পর, ইডি সূত্রে দাবি করা হয়, আয়ের সঙ্গে তাঁর ব্যয়ের সামঞ্জস্য মেলেনি। অবশেষ বারবার জিজ্ঞাসাবাদ ও বাড়িতে তল্লাশির পর গ্রেফতার করা হয় ‘কালীঘাটের কাকু’-কে।