আজমেঢ়-দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা, প্রধানমন্ত্রী বললেন রাজস্থানে পর্যটন শিল্পের বিকাশ হবে

নয়াদিল্লি, ১২ এপ্রিল (হি.স.) : রাজস্থানের আজমেঢ় ও দিল্লি ক্যান্টনমেন্টের মধ্যে রাজস্থানের প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বুধবার বেলা এগারোটা নাগাদ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজস্থানের প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। উদ্বোধনী ট্রেনটি অবশ্য জয়পুর থেকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে যাবে। নিয়মিত পরিষেবা শুরু হবে বৃহস্পতিবার থেকে। যাত্রাপথে ট্রেনটি জয়পুর, আলোয়ার এবং গুরুগ্রাম-এ থামবে। শতাব্দী এক্সপ্রেসের তুলনায় এই ট্রেন ১ ঘন্টা আগে আজমেঢ় পৌঁছবে। এই ট্রেন রাজস্থানে পর্যটকদের প্রধান দ্রষ্টব্য স্থান –পুষ্কর, আজমেঢ় শরিফ দরগার মধ্যে যোগাযোগ আরও উন্নত করবে। উন্নত যোগাযোগের ফলে এলাকার আর্থ-সামাজিক বিকাশও ত্বরান্বিত হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদী এদিন বলেছেন, আজমেঢ় থেকে দিল্লি যাওয়ার প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পাচ্ছে রাজস্থান। বন্দে ভারত ট্রেন রাজস্থানের পর্যটন শিল্পকে বাড়িয়ে তুলবে।

প্রধানমন্ত্রীর কথায়, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ভারতে তৈরি প্রথম সেমি-হাইস্পিড ট্রেন। এটি সবচেয়ে কমপ্যাক্ট এবং দক্ষ ট্রেনগুলির মধ্যে একটি। এই ট্রেন নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে সজ্জিত। প্রধানমন্ত্রী মোদী এদিন আরও বলেছেন, “বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন ‘ভারত সর্বাগ্রে, সর্বদা প্রথমে’ এই চেতনাকে সমৃদ্ধ করে। আমি খুশি যে বন্দে ভারত ট্রেন এখন উন্নয়ন, আধুনিকতা, স্বনির্ভরতা এবং স্থিতিশীলতার সমার্থক হয়ে উঠেছে। বন্দে ভারতের এখনকার যাত্রা আমাদের আগামীকাল উন্নত ভারতের যাত্রায় নিয়ে যাবে।” প্রধানমন্ত্রী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেছেন, “দুর্ভাগ্যবশত স্বার্থপর ও লোভের রাজনীতি সর্বদা রেলওয়ের আধুনিকায়ন হতে দেয়নি। বড় আকারের দুর্নীতি রেলে উন্নয়ন ঘটতে দেয়নি, অথবা রেলের নির্বাচন প্রক্রিয়াকেও স্বচ্ছ হতে দেয়নি। ২০১৪ সালের পরেই বিপ্লবী রূপান্তর ঘটতে শুরু করে। স্বাধীনতার পর রেলওয়ের আধুনিকায়নে সব সময় রাজনৈতিক স্বার্থ প্রাধান্য পেয়েছে। রাজনৈতিক স্বার্থ দেখে সিদ্ধান্ত হয়েছিল কে হবেন রেলমন্ত্রী, রাজনৈতিক স্বার্থেই এমন ট্রেন ঘোষণা করা হয়েছে যেগুলি কখনও চলেনি।”