জনকল্যাণ এবং নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দ্য প্রদানে সরকার অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে : মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ৮ ডিসেম্বর (হি. স.) : আগরতলা শহরবাসীর জীবন রেখা হচ্ছে হাওড়া নদী। বর্তমান সরকারের সময় হাওড়া নদীর অববাহিকার সৌন্দর্যায়ন ও একে দূষণমুক্ত করার বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আজ আগরতলা স্মার্ট সিটি লিমিটেডের উদ্যোগে হাওড়া রিভার ফ্রন্ট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।

তাঁর কথায়, এই প্রকল্পটি সিটি ইনভেস্টমেন্টস টু ইনোভেট, ইন্টিগ্রেট এন্ড সাস্টেইন প্রোগ্রামের একটি যৌথ কর্মসূচি। ফ্রেঞ্চ ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ভারত সরকারের আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রক, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব আরবান অ্যাফেয়ার্স দ্বারা মিলিতভাবে এই প্রকল্পটি রূপায়ণ করা হবে।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগরতলা শহরকে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে যা অনেককেই অভিভুত করে। ভারতবর্ষের ১০০টি শহরের মধ্যে আগরতলা শহরকে স্মার্ট সিটির অন্তর্ভূক্ত করার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, হাওড়া রিভার ফ্রন্ট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের কাজ সম্পন্ন হলে আগরতলা শহর আরও দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠবে।

তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার জনকল্যাণ এবং নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দ্য প্রদানে সরকার অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। এই সরকার, আমার সরকার-এই অনুভূতি যাতে প্রত্যেকের মধ্যে কাজ করে সেজন্য যা যা করা প্রয়োজন তাই বর্তমান সরকার করে চলেছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে প্রতি ঘরে সুশাসন অভিযান কর্মসূচির মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের প্রকল্পগুলির সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। মানুষের মৌলিক পরিষেবাগুলি পৌঁছে দিতে গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে রাজ্যস্তরে আয়োজিত হচ্ছে বিভিন্ন মেলা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি।

তাঁর বক্তব্য, ত্রিপুরা সরকার মহিলাদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মহিলাদের শক্তিশালী করতে প্রধানমন্ত্রীর যে দৃষ্টিভঙ্গি বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্যেই নিরন্তর কাজ করছে। বর্তমানে বেড়েছে মহিলা পরিচালিত স্ব-সহায়ক গোষ্ঠী। রাজ্যের মানুষ আত্মনির্ভর হচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ভাষণে উল্লেখ করেছেন।

এদিকে আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার আগরতলা শহরের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা এবং যানজট মুক্ত রাখার ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। স্বাগত বক্তব্যে আগরতলা স্মার্ট সিটি লিমিটেডের সি ই ও ডা. শৈলেশ কুমার যাদব বলেন, এই প্রকল্পে হাওড়া নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকা দশমীঘাটকে লোয়ার পয়েন্ট ধরে প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকায় কাজ করা হবে।