সাধুরা সমাজকে একত্রিত করেছেন, রামায়ণ ও মহাভারত মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করেছে : রাষ্ট্রপতি

মাইসুরু, ২৬ সেপ্টেম্বর (হি.স.): সাধুরা সমাজকে একত্রিত করেছেন এবং রামায়ণ ও মহাভারত মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করেছে। কর্ণাটকে ১০ দিনের মাইসুরু দশেরা উৎসবের সূচনা করার পর বলেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

শুক্রবার সকালে চামুন্ডি পাহাড়ের চূড়ায় দেবী চামুণ্ডেশ্বরীর পূজার্চনা করার পর ১০ দিনের মাইসুরু দশেরা উৎসবের সূচনা করেছেন রাষ্ট্রপতি। কন্নড় ভাষায় বক্তৃতা শুরু করে রাষ্ট্রপতি এই উৎসব উপলক্ষে জনগণকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি দেশ ও জনগণের মঙ্গল কামনায় দেবী চামুণ্ডেশ্বরীর আশীর্বাদ কামনা করেন।
পরে হিন্দিতে ভাষণ দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিজয়াদশমী হল দেবী চামুণ্ডেশ্বরীর রাক্ষস মহিষাসুরের বিরুদ্ধে বিজয়ের উদযাপন। রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, উৎসবটি নারী শক্তিকেও উদযাপন করে। তিনি বিদেশী ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধে রানী আব্বাক্কা দেবী এবং রানী চেন্নাম্মার ভূমিকা এবং চিত্রদুর্গার ওনাকে ওভাভা যিনি হায়দার আলীর সৈন্যদের মোকাবেলা করেছিলেন তাঁর কথা স্মরণ করেন।
এই অনুষ্ঠানে নিজের বক্তৃতায় কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসভরাজ বোম্মাই বলেছেন, দুই বছরের ব্যবধানের পর মহামারীর পরে এই বছর দশেরা উৎসব পালিত হয়েছে। তিনি দশেরা উৎসবের উদ্বোধনের জন্য আমন্ত্রণ গ্রহণ করায় রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানান, তিনিই প্রথম রাষ্ট্রপতি যিনি এই সম্মাননা করলেন৷ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী এবং শোভা করন্দলাজে।
উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তিন-দিনের সফরে কর্নাটকে রয়েছেন। আগামীকাল রাষ্ট্রপতি বেঙ্গালুরুতে হিন্দুস্থান অ্যারোনেটিক্স লিমিটেডের ক্রায়োজেনিক বিমান ইঞ্জিন তৈরির কারখানার উদ্বোধন করবেন। এছাড়াও ভার্চুয়ালি দক্ষিণাঞ্চলের জন্য ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজির শিলান্যাস করবেন। আগামীকালই তিনি সেন্ট যোসেফ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ২৮ তারিখ তাঁর দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা।