ত্রিপুরার নাগরিক মহিলার বাংলাদেশে মৃতদেহ উদ্ধার

আগরতলা, ৭ জুন (হি. স.) : দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার বিলোনিয়ার বাসিন্দা আরতি রাণী দাসের মৃতদেহ বাংলাদেশে উদ্ধার হয়েছে। ত্রিপুরায় নিখোজ মহিলার ফাঁসিতে ঝুলন্ত মৃতদেহ বাংলাদেশে উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তাঁর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে বাংলাদেশের পরশুরাম থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। আজ সকাল ১১টা নাগাদ তাঁর মৃতদেহ পরিবারের হতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পারিবারিক সুত্রে দাবি, ওই মহিলা মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু, বাংলাদেশে গিয়ে কিভাবে আত্মঘাতী হলেন তিনি, সেই রহস্যের কিনারা হোক চাইছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

বিলোনিয়া থানার ওসি স্মৃতিকান্ত বর্ধন জানিয়েছেন, গত ৫ জুন স্থানীয় রামঠাকুর পাড়ার বাসিন্দা আরতি রাণী দাসের নিখোজ ডায়েরি করেন তাঁর পরিবার। ৬ জুন সকাল ৯টা নাগাদ বাংলাদেশের পরশুরাম থানাধীন ডুবলার চান এলাকায় মুহুরী নদীর পাড়ে একাশিয়া গাছের ডালে নিজ শাড়িতেই ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে।

এ-বিষয়ে পরশুরাম থানার পুলিশ ইন্সপেক্টর মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, ওই মহিলা মৃতদেহ উদ্ধারের পর ফেনী সদর হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছিল। সাথেই ওই ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। পরবর্তীতে ত্রিপুরার বিলোনিয়া থানার ওসির সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে বিএসএফ-বিজিবি এবং বিলোনিয়া মহিলা থানার যৌথ সহযোগিতায় আজ সকাল ১১টায় মুহুরী ঘাট মুহুরীঘাট সীমান্ত শুল্ক বাণিজ্য কেন্দ্র দিয়ে মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।বিলোনিয়া থানার ওসি জানান, মৃতার ছেলে রিপন দাস মৃতদেহ সংগ্রহ করেছেন। তবে, ওই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তিনি স্পষ্টভাবে কিছুই বলতে পারেননি। অবাক করার বিষয় হল, ত্রিপুরা থেকে তিনি সীমান্ত ডিঙ্গিয়ে বাংলাদেশে কিভাবে গেলেন তার উত্তর কেউ দিতে পারছেন না। পারিবারিক সুত্রে খবর, ওই মহিলা মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। তবুও, ওই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক, চাইছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *