নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৩ ফেব্রুয়ারি৷৷ ঊনকোটি কৈলাসহর যুবরাজ নগর সুকলের ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষকের দাবিতে মঙ্গলবার টিলাবাজার বাবু বাজার রাস্তা অবরোধ করেছে৷রাজ্য সরকার এবং শিক্ষা দপ্তর বিভিন্ন সুকলের শিক্ষকদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হচ্ছে না৷
শহর এলাকার সুকলগুলিতে উদ্বৃত্ত শিক্ষক এখনো রয়ে গেছে৷ অথচ গ্রাম পাহাড় সহ শহর এলাকার পাশাপাশি বিভিন্ন সুকলে শিক্ষক এর অভাবে পঠন-পাঠন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে৷ তাতে শিক্ষাব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে৷ ঊনকোটি জেলার কৈলাশহর এর যুব রাজনগর সুকলেও শিক্ষকের অভাবে পঠন-পাঠন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে৷ জানা যায় যে বরানগর সুকলের প্রাথমিক বিভাগে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা চার শতাধিক৷৷ শিক্ষক রয়েছেন মাত্র পাঁচজন৷ ৫ জন শিক্ষক থাকলেও প্রতিদিন একজন শিক্ষক বিদ্যালয় আসেন৷ অন্যান্যরা গরহাজির থাকছেন৷এর ফলে বিদ্যালয়ের পঠন পাঠন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে৷ এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা টিলাবাজার- বাবুর বাজার রাস্তা অবরোধ করে৷
অবরোধের ফলে অবরোধ স্থলের দু’’পাশে ব্যাপক সংখ্যক যানবাহন আটকে পরে৷ তাতে দুভর্োগ চরম আকার ধারণ করে৷ অবরোধের খবর পেয়ে ইরানি থানার ওসি আলমগীর হোসেন এবং কৈলাশহর সুকল পরিদর্শক অফিস থেকে আধিকারিক নজরুল ইসলাম গনি ও জেলাশাসক অফিস থেকে ডিসিএম ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন৷ অবরোধ স্থলে ছুটে এসে ডিসিএম আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের প্রতিশ্রুতি দেন এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷ডিসিএম এর কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি হওয়ার পর ছাত্র-ছত্রীরা পথ অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়৷ প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিদ্যালয় এ প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ করা না হলে এবং যেসব শিক্ষক রয়েছেন তারা নিয়মিত সুকলে এসে পঠন-পাঠন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার উদ্যোগ গ্রহণ না করলে ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকরা বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন৷

