পৃথক স্থানে দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত দশজন, বন দপ্তরের ভূমিকায় ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিনিধি, তেলিয়ামুড়া/শান্তিরবাজার, ৭ ফেব্রুয়ারি৷৷ ফের একবার তেলিয়ামুড়া থানাধীন দুশকি এলাকায় যান দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এক বৃদ্ধ ও এক যুবক৷ বর্তমানে তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা চলছে৷


জানা যায়, যুবকটি সুকটি নিয়ে দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় পথচারী বৃদ্ধকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে নিজেও দুর্ঘটনার কবলে পড়ে৷ এলাকাবাসী ঘটনার প্রত্যক্ষ করে তেলিয়ামুড়া অগ্ণিনির্বাপক দপ্তরের খবর দেয়৷ খবর পেয়ে দমকল কর্মীরা ছুটে গিয়ে দুর্ঘটনাগ্রস্ত দুই জনকেই তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে৷ জানা যায়, দুজনের অবস্থাই আশঙ্কা জনক৷


প্রাথমিক চিকিৎসার পর আগরতলা জিবি হাসপাতালে রেফার করা হতে পারে৷ এ ব্যাপারে অগ্ণিনির্বাপক দপ্তরের এক কর্মী জানান খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে গুরুতর আহত দু’জনকেই তেলিয়ামুড়া হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়৷ তবে এই দুর্ঘটনা কিভাবে হয়েছে তা এখনো ধোঁয়াশার মধ্যে৷ অনুমান করা হচ্ছে পথচারী বৃদ্ধকে ওই সুকটি চালক ধাক্কার পরে দুর্ঘটনা ঘটে৷

প্রসাশনিক উদাসিনতার কারনে দুর্ঘটনার স্বীকার হলো একটি যাত্রীবাহী বাস ও এক বাইক চালক৷ ঘটনার বিবরনে জানাযায় আজ দুপুর আনুমানিক ১২ টা নাগাদ শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত মনপাথর বাজার সংলগ্ণ এলাকায় ৮ নং জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে একটি যাত্রীবাহী বাস৷ জানাযায় এই এলাকায় জাতীয় সড়কের পাশে বসবাসকারী কৃষ্ণ জমাতিয়া বনদপ্তরের কোনোপ্রকার অনুমতিছারাই গাছ কাটছেন৷ যারফলে একটাসময় গাছকাটতেগিয়ে জাতীয় সড়কে বিলোনিয়া থেকে সাব্রুমগামী টি আর ০৮ ১২৫২ নাম্বারের বাসের উপর গিয়ে পড়ে গাছ৷


এতেকরে বাসেথাকা ৬ থেকে ৮ জন যাত্রী আহতহয়৷ দুর্ঘটার সঙ্গে সঙ্গে এলাকাবাসীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মনপাথর ফাঁড়ী থানায় খবরদেয়৷ এই দুর্ঘটনার পর বাসেথাকা যাত্রীদের সঙ্গে কথাকাটাকাটি শুরু হয় কৃষ্ণ জমাতিয়ার সহধর্মীনির৷ বাসে থাকা যাত্রীদের অভিযোগ কৃষ্ণ জমাতিয়ার সহধর্মীনি অশ্ণিন ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেছে বাসযাত্রীদের৷ এতেকরে উত্তেজনা পরিস্থিতি শুরুহয়৷ এই দুর্ঘটনায় এই বাইক আরোহী অল্পতে রক্ষাপায় বলে জানাযায়৷ দুর্ঘটনার পর কিছুসময়ের জন্য জাতীয় সড়কে যানচলাচল স্তব্ধ হয়েপরে৷ পরবর্তী সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন৷ দিনের বেলা এইভাবে প্রসাশনিক অনুমোদনছাড়া জাতীয় সড়কের পাশে গাছ কাটার বিষয় নিয়ে বনদপ্তরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ণচিহ্ণ থেকেযায়৷


বগাফা ফরেষ্ট রেঞ্জার সুমন ভৌমিক ও এস ডি এফ ও জয়নাল্য আচার্যির এই ধরনের ভূমিকায় ছিঃ ছিঃ রব উঠেছে সকলের মধ্যে৷ বনদপ্তরের আস্কারা পেয়েই দিনে দুপুরে বনভূমি ধবংস করেযাচ্ছে বনদস্যুরা৷ যারফলসরূপ বনদপ্তরের অনুমোদন ছারাই প্রকাশ্য দিনের বেলায় জাতীয় সড়কের পাশে গাছ কাটতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পরতেহয় লোকজনদের৷ এই নিয়ে পুলিশ ও বনদপ্তরের ভূমিকায় ক্ষোভ সৃষ্টিহয়েছে লোকমনে৷