নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৮ আগস্ট৷৷ আবারো সারা ভারত গণতান্ত্রিক নারী সমিতির শ্রমজীবী নারী সমন্বয় কমিটির আন্দোলনে বাধা সৃষ্টি করল পুলিশ৷শুক্রবার পূর্ব-নির্ধারিত অনযায়ী শ্রমজীবী নাবী সমন্বয় সমিতির পক্ষ থেকে মেলারমাঠ সিপিআইএম পার্টি অফিসের সামনে প্রতিবাদ বিক্ষোভ আন্দোলন সংগঠিত করার চেষ্টা করা হয়৷
মোট ৭ দফা দাবিতে তারা আন্দোলনে সামিল হওয়ার চেষ্টা করেন৷আন্দোলনকারীরা সিপিআইএম পার্টি অফিসের সামনে সমবেত হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের গতি নিয়ন্ত্রণ করে৷ পার্টি অফিসের সামনে তাদের আন্দোলন স্তব্ধ করে দেয়া হয়৷ আন্দোলনে অংশ নিতে আসা সাংসদ ঝরনা দাস বৈদ্য পুলিশ এবং রাজ্য সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন৷তিনি অভিযোগ করে বলেন এই রাজ্যে মানুষের গণতান্ত্রিক আন্দোলন স্তব্ধ করে দেওয়ার চক্রান্ত শুরু হয়েছে৷
জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ৭ দফা দাবিকে সামনে রেখেই শ্রমজীবী নারী সমন্বয় কমিটি আন্দোলনে সামিল হওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল বলে তিনি জানিয়েছেন৷সাংসদ ঝরনা দাস বৌদ্য আরো অভিযোগ করেন এর আগেও তাদের আন্দোলন স্তব্ধ করে দিয়েছিল পুলিশ৷পরপর নারীদের আন্দোলন স্তব্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সাংসদ ঝরনা দাস বৈদ্য৷৭ দফা দাবির সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাংসদ ঝরনা দাস বৌদ্য বলেন নারী নির্যাতন বন্ধ করাসহ৭দফা দাবিতে তারা দেশজুড়ে আন্দোলনে সামিল হয়েছেন৷
নারী অধিকার রক্ষা, কাজ খাদ্য এবং শিক্ষা নিশ্চিত করা, গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ বন্ধ করা, এবং নারীদের অধিকার সুরক্ষায় সরকার ও প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে৷ কাজ খাদ্য কর্মসংস্থান ও কৃষকদের ঋণ মুকুব করারও দাবি জানিয়েছেন সংসদ ঝরনা দাস বৈদ্য৷তিনি অভিযোগ করে বলেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সেই সব প্রতিশ্রুতি কার্যকর করা হচ্ছে না৷ সরকারকে করুণা ভাইরাস সংক্রমণ জনিত পরিস্থিতিতে শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থ সুরক্ষায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন৷

