আগরতলা, ২৮ আগস্ট(হি. স.)৷৷ ত্রিপুরায় উগ্রপন্থা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে সোচ্চার হয়েছে বিরোধী দলনেতা মানিক সরকারের নেতৃত্বে সিপিম পরিষদীয় দল৷ মানিক সরকারের সাফ কথা, রাজনৈতিক নেতাদের সাথে সন্ত্রাসবাদীদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে৷ তাঁরা আত্মসমর্পনকারী বৈরীদের সাথে যোগাযোগ রাখছে৷ এ-কথা শুনে বিজেপি মুখপাত্র নবেন্দু ভট্টাচার্যর পাল্টা দাবি, সিপিএমের নেতাদের সাথেই সন্ত্রাসবাদীদের যোগাযোগ রয়েছে৷ অতীতে তার বহু প্রমান রয়েছে৷
আজ সিপিএম পরিষদীয় দলের নেতারা মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব-র সাথে দেখা করেছেন৷ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার সাথে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে তাঁরা সোচ্চার হয়েছেন৷ আজ সাংবাদিক সম্মেলনে বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার বলেন, ত্রিপুরা সন্ত্রাসবাদীরা মাথা চারা দিয়ে উঠছে৷ এমনটা তিনি প্রকাশিত সংবাদে জানতে পেরেছেন৷ তাঁর কথায়, কোন কোন রাজনৈতিক নেতারা সন্ত্রাসবাদীদের সাথে যোগসাজশ রয়েছে, এমনই খবর সামনে এসেছে৷ ফলে, সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আগামীদিনে ত্রিপুরার শান্তি-র পরিবেশ নষ্ট হতে পারে, এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন৷ তাঁর দাবি, বামফ্রন্ট সরকার সন্ত্রাসবাদ কঠোর হাতে মোকাবিলা করেছে৷ পুলিশকে মুক্তহস্তে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে৷ অনেক কষ্টে ত্রিপুরায় শান্তি ফিরেছে৷ তিনি বলেন, ৩৫০-এর অধিক কর্মী, সমর্থক ও জনপ্রতিনিধি সন্ত্রাসবাদের বলি হয়েছেন৷ তাই, মুখ্যমন্ত্রীকে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে চিন্তাভাবনা করার জন্য বলেছি৷ কারণ, আত্মসমর্পনকরী বৈরীদের সাথে রাজনৈতিক নেতারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন৷ তিনি বলেন, পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ সন্ত্রাসবাদীদের ত্রিপুরায় মাথা তুলতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷
মানিক সরকারের বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিজেপি প্রদেশ মুখপাত্র নবেন্দু ভট্টাচার্য৷ তাঁর কথায়, আমরা অতীতেও বলেছি সন্ত্রাসবাদের সাথে সিপিএমের যোগাযোগ রয়েছে৷ তাদের মাধ্যমেই ত্রিপুরায় উগ্রপন্থার সূত্রপাত৷ তিনি সুর চড়িয়ে বলেন, ত্রিপুরায় হিংসার রাজনীতির সূচনা করেছিল সিপিএম৷ এখন তাদের বক্তব্যে নতুনত্ব দেখতে পাচ্ছি না৷

