নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৪ মার্চ ৷৷ আগরতলা পুরনিগম এলাকায় ভাইরাস ও ভ্যাক্টেরিয়া নিধনের জন্য ভাইরাস ভ্যাক্টেরিয়া নিধন স্প্রে করার কাজ সোমবার রাত থেকে শুরু হয়েছে৷ তা চলবে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত৷ রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত পুরনিগম এলাকার জনগণকে গৃহবন্দি থেকে স্প্রে করার কাজে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে পুরনিগম৷ গোটা দেশ ভয়ঙ্কর পরিণতির দিকে ধাবিত হচ্ছে৷
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ মহামারীর রূপ নিদের্শ শুরু করেছে৷ এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় কোনও প্রতিষেধক বা ওষুধ আবিষৃকত হয়নি৷ এর ফলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও রীতিমতো উদ্বিগ্ণ৷ উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভারত সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে৷ সচেতনতার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে৷ রাজ্য সরকারও এ বিষয়ে জনগণকে নানাভাবে সচেতন করার চেষ্টা চালাচ্ছে৷
মঙ্গলবার থেকেই রাজ্যে লকডাউন করা হয়েছে৷ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য জনসমাগম রোধ করায় এই লকডাউনের মূল লক্ষ্য৷ এদিকে আগরতলা পুরনিগম সমগ্র পুরনিগম এলাকায় ভাইরাস ও ভ্যাক্টেরিয়া নষ্ট করার জন্য ভ্যাক্টেরিয়া নিরোধক স্প্রে করার কাজ গতকাল রাত থেকেই শুরু করেছে তা চলবে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত৷ পক্ষকাল ব্যাপী এই কর্মসূচি আগরতলা পুরনিগম এলাকার প্রতিটি জনবসতি এলাকা এবং রাস্তাঘাটে বাস্তবায়ন করা হবে৷ পুরনিগমের সিইও জানান, প্রথম ধাপে জনবহুল এলাকাগুলিতে এ ধরনের স্প্রের কাজ শুরু করা হয়েছে৷ রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত ভাইরাস ও ভ্যাক্টেরিয়া নিরোধক স্প্রে করা হবে৷ এজন্য ওই সময়ের মধ্যে সাধারণ জনগণকে ঘরবন্দি থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে৷ এজন্য প্রয়োজনীয় প্রচার করা হয়েছে৷ মাইকযোগে সর্বত্র জনগণকে সচেতন করা হয়েছে৷
সিইও আরও জানান, পুরনিগমকে সাতটি ভাগে বিভক্ত করে এই স্প্রে করা হবে৷ এ ধরনের স্প্রে করার ফলে ৯৯ শতাংশ ভাইরাস ও ভ্যাক্টেরিয়া নিধন করা সম্ভব হবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন৷ আগরতলা পুরনিগম এলাকার প্রত্যেক জনগণকে এ ধরনের কাজে সার্বিক সহযোগিতার হাত সম্প্রসারিত করার জন্যও পুরনিগমের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে৷ এ বিষয়ে স্পষ্টীকরণ দিয়ে পুরনিগমের সিইও বলেন, স্প্রে করার সময় সাধারণ জনগণ ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে৷ সে কারণেই জনগণকে গৃহবন্দি রেখে রাতে এ ধরনের স্প্রে করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷

