নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৯ ফেব্রুয়ারি ঃ রবিবার সরকারী ছুটির দিনে সুকল গুলিতে শিক্ষক অভিভাবক সম্মেলনের মধ্য দিয়ে শিক্ষাকে সঠিক নিশানায় পৌছে দেবার রূপ রেখা তৈরী করলেন শিক্ষামন্ত্রী৷ এদিন তনি বিভিন্ন সুকলে গিয়ে শিক্ষক অভিভাবকদের তিনি বিভিন্ন সুকলে গিয়ে শিক্ষক অভিভাবকদের সঙ্গে মিলিত হয়ে এবিষয়ে সকলের সহযোগিতা আহ্বান করেছেন৷ শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষক, ছাত্র, অভিবাবক ও সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষের সমন্বয়ে শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা গড়তে চায় রাজ্য সরকার৷ শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল বলেন, আমাদের রাজ্যে বর্তমানে যে সরকার চলছে, সেই সরকারের মূল দৃষ্টি হল গুণগত শিক্ষার দিকে৷
তিনি বলেন, ছেলে মেয়েদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করা সম্ভব হলে তাহলে পিছিয়ে তাকাতে হবে না৷ এজন্য প্রয়োজন প্রকৃত শিক্ষা৷ সেই লক্ষ্যকে সফল করার জন্যই রবিবার সারা রাজ্যে শিক্ষক অভিভাবক বৈঠক হচ্ছে৷ রাজ্য সরকার রাজ্যের সকল সুকলের দিকে সমদৃষ্টি দিচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী৷ একই দিনে সব সুকলে একই প্রশপত্র পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি৷ এই মহৎ উদ্দেশ্যে সফল করতে শিক্ষকরা একা পারবে না৷ এজন্য ছাত্র এবং অভিভাবক এর সঙ্গে যুক্ত করতে চাইছে সরকার৷
নিজের ছেলে মেয়ে সম্পর্কে অভিভাবককে সচেতন করার লক্ষ্যেই শিক্ষক অভিভাবক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী৷ শিক্ষা দপ্তরের অফিসাররা বিভিন্ন সুকল পরিদর্শন করে এসব বিষয় প্রত্যক্ষ করছেন এবং খোজ খবর নিচ্ছেন৷
তিনি আরও বলেন, ছেলে মেয়েদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলে ত্রিপুরাকে পেছনের দিকে ফিরে তাকাতে হবে না৷ সেই জন্য রাজ্য সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে৷ সারা রাজ্যে এক প্রশ্ণপত্র করা হয়েছে৷ একা শিক্ষক, অভিভাবক ও পড়ুয়ার পক্ষে এই গুনগত পরিবর্তন সম্ভব নয়৷ তাই ক্ষেত্রে সকলকে একত্রিত করতে হবে৷ সমাজের জন্য বছরে তিনটা বা দুটি রবিবার কাজ করতে পারবে না , এটা ঠিক নয়৷ এই ক্ষেত্রে অভিভাবক ও শিক্ষক শিক্ষিকাদের মধ্যে পরিবর্তন এসেছে৷ সান্মাসিক পরীক্ষায় কি ফলাফল করছে পড়ুয়া সেই সম্পর্কে অভিভাবকদের অবগত করা হচ্ছে৷
এই ভাবে তারা তাদের সন্তানদের চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করতে পারবে৷ সেই লক্ষ্যেই এদিন সারা রাজ্যে শিক্ষক- অভিভাবক আলোচনা হয় প্রতিটি সুকলে৷ রবিবার শিক্ষক অভিভাবক সম্মেলনের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে শহরের একাধিক সুকলে যান শিক্ষা মন্ত্রী রতন লাল নাথ৷ সেই কর্মসূচীতে শেষে প্রতিক্রিয়ায় এই কথা ব্যক্ত করেন তিনি৷ তিনি আরো বলেন পড়ুয়াদের মন থেকে পরীক্ষা ভীতি দূর করতে হবে৷ তবেই সাফল্য আসবে৷ একটা ক্ষুদ্র অংশ এখনো দুর্বল৷ তাদের মানোন্নয়নের জন্য এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে৷

