ক্যাব’র বিরোধীতার আন্দোলনে বিজেপি সমর্থকরা ঢুকে হিংসা সৃষ্টি করেছে , অভিযোগ যৌথ ফোরামের

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৫ ডিসেম্বর৷৷ নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল এর বিরুদ্ধে যে আন্দোলন করা হয়েছে তাতে বিজেপির কর্মীরা প্রবেশ করেছে এবং হিংসার সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ করল জয়েন্ট মুভমেন্ট এগেইনস্ট সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট বিল (জেএমএসিএবি) এর কর্মকর্তারা৷ রবিবার আগরতলায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে যৌথ ফোরামের নেতৃত্ব অভিযোগ করেছেন সিএবির প্রতিবাদকারীদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য হিংসা সৃষ্টি করার জন্য তাদের আন্দোলনে ঢুকে পড়েছিল বিজেপির কর্মীরা৷


জেএমএসিএবি নেতা জগদীশ দেববর্মা বলেন, ক্ষমতাসীন বিজেপি সমর্থকরা যারা তাদের আন্দোলনে অনুপ্রবেশ করেছিল এবং উপদ্রব সৃষ্টি করেছিল তার কারণে ধর্মঘটের সময় সহিংসতা হয়েছিল৷তিনি বলেন, পশ্চিম ত্রিপুরার সাধুপাড়ায় আমাদের প্রতিবাদ আন্দোলনে যোগ দিতে তুইচিন্দ্রাই থেকে রওয়ানা হয় পথে বিক্ষোভকারী মন্ত্রীলাল কাইপেং৷ তাকে পথেই হত্যা করা হয়েছে৷ আমরা তার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের লোকদের সাথে কথা বলেছি৷ আমরা এই ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের কঠোর শাস্তি এবং পরিবারের একটি সরকারী চাকরীর দাবি করছে, জানালেন জগদীশ দেববর্মা৷ সেই সাথে আমরা সিএবি প্রতিবাদকারীদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য যারা হিংসার সৃষ্টি করেছে তাদের কঠোর শাস্তিরও দাবি করছি, জানালেন জগদীশ দেববর্মা৷


জগদীশবাবু আরও বলেন, ত্রিপুরা পুলিশ ১৩ ই ডিসেম্বর একটি প্রেস বিবৃতি জারি করে সিএবির ধর্মঘটের সময় নিহতের মৃত্যুর রিপোর্টকে তীব্রভাবে অস্বীকার করেছে এবং দাবি করেছে যে এগুলো ‘মিথ্যা ও মনগড়া রিপোর্ট’৷ এই বিবৃতি খন্ডন করে শ্রীদেববর্মা বলেন, রাজ্য পুলিশ এবং বিজেপি সরকার জেএমএএসিএবির ডাকা আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অক্ষুন্ন রাখতে ব্যর্থ হয়েছে৷
জগদীশ দেববর্মা আরও বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সাথে সাম্প্রতিক বৈঠকে আমরা আমাদের দাবী পেশ করিছে৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে তিনি বিষয়টি দেখবেন৷ তাই আমরা অমিত শাহর তরফ থেকে কি প্রতিক্রিয়া সেই অপেক্ষায় রয়েছি৷