মন্দিরে বলি নিষিদ্ধ : উচ্চ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবে রাজ্য সরকার

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩০ সেপ্ঢেম্বর৷৷ উচ্চ আদালত ত্রিপুরায় মন্দিরে বলি নিষিদ্ধ করেছে৷ এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হবে ত্রিপুরা সরকার৷ এ-বিষয়ে আইন মন্ত্রী রতন লাল নাথ জানান, বলি নিষিদ্ধে উচ্চ আদালতের রায় নিয়ে ত্রিপুরা সরকার বিস্তারিত আলোচনা করেছে৷ তাতে স্থির হয়েছে, সবর্োচ্চ আদালতের রায় আসলে বলি প্রথা নিষিদ্ধের বিষয়টি সুগম হবে৷


এদিন তিনি বলেন, ত্রিপুরায় বলি নিষিদ্ধে উচ্চ আদালতের রায়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে৷ বলি প্রথা পক্ষে এবং বিপক্ষে মত রয়েছে৷ তাঁর কথায়, বলি নিষিদ্ধের বিষয়টি অত্যন্ত বিতর্কিত৷ তাই, ত্রিপুরা সরকার সবর্োচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়া উচিত বলে মনে করেছে৷


তাঁর বক্তব্য, সংবিধানের ধারা ২৫(১) মানুষকে ধর্মের অধিকার দিয়েছে৷ তেমনি, প্রিভেনশন অফ ক্রুয়েল্টি অফ এনিমালস ১৯৬০ আইনের ধারা ২৮ মোতাবেক ধর্মীয় স্থানে পশু হত্যা অপরাধ বলে গণ্য হবে না৷ তাঁর দাবি, উচ্চ আদালতের রায়কে আমরা সন্মান জানাই৷ কিন্তু, মানুষের বিশ্বাস যেখানে যুক্ত সেখানে আরও উঁচু পরিসরে সিদ্ধান্ত জানা প্রয়োজন বলেই মনে করেছে ত্রিপুরা সরকার৷


তাঁর কথায়, হিমাচল প্রদেশ সরকারের অনুরূপ একটি মামলা সুপ্রিম কোর্টে মীমাংসার অপেক্ষায় রয়েছে৷ তাই, ত্রিপুরা সরকারও সুপ্রিম কোর্টে এসএলপি দাখিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের রায় না আসা পর্যন্ত ত্রিপুরায় মন্দিরগুলিতে বলি বন্ধ থাকবে৷


প্রসঙ্গত, ত্রিপুরা হাইকোর্টের মুখ্য বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি অরিন্দম লোধের ডিভিশন বেঞ্চ প্রাক্তন জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক সুভাষ ভট্টাচার্য্যের জনস্বার্থ মামলায় বলি নিষিদ্ধের রায় দিয়েছেন৷