
নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৯ সেপ্ঢেম্বর ৷৷ ৩ সেপ্ঢেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে ধর্ষিতা হয় নবম শ্রেণীর পানিসাগর মহকুমা অধীন রোয়া পঞ্চায়েতের এক নাবালিকা৷ সেদিন থেকে দৌড়ঝাঁপ শুরু হলেও, রবিবার পানিসাগর হাসপাতালের চিকিৎসক দৌলতে এবং এবিভিপি’র চাপে পড়ে বেশি রাতে পানিসাগর থানায় মামলা গৃহিত হয়৷
ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, ২ সেপ্ঢেম্বর নবম শ্রেণীর নাবালিকাকেসকুল থেখেই সোয়েল উদ্দিনের গ্যারেকে ডেকে নিয়ে যায় সার্কিল হুসেন, বাবা মউন উদ্দিন, বাড়ি রোয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬নং ওয়ার্ডে৷ গ্যারেজের পেছনে একটা গডে তাকে জোড়পূর্বক চ্নয়ে গিয়ে মুখ গামছা দিয়ে বেধে ফেলে সার্কিল৷ তখন গ্যারেজের মালক সোয়েল উদ্দিন বাইরে থেএক ঘরে তালা লাগিয়ে দেয়৷ এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করে একটি ছোট ছেলে৷ সে দৌড়ে গিয়ে নাবালিকাটির কাকুকে ঘটনাটি জানায়৷ কাকু দৌড়ে এস রক্তাক্ত অবস্থায় নাবালিকাটিকে উদ্ধার করে৷ ঘন্টাখানেক পর মেয়েটিকে নিয়ে মেয়ের মা পানিসাগর থানায় ঘটনাটি জানায়৷
পানিসাগর থানা থেকে লিখিত অবিযোয় দিতে বলা হয়৷ পরদিন বুধবার থানায় আসার আগেই রোয়ার মুসলিম সমাজের মুরবিবরা, মনোহর আলি, নজরুল হক, খালিক উদ্দিন, ইলাক উদ্দিন, পংকি মিয়া, ফকরুদ্দিন এবং উপপ্রধানের ঝাসির আলি মেয়েটির বাড়িতে যায়৷ তাদেরকে ভয় ভীতি দেখিয়ে শালিসি সভার মাধ্যমে মিটিয়ে ফেলার পরামর্শ দে?৷ প্রাথমিকভাবে মেয়েদদ পক্ষকে বেশি বাড়াবাড়ি করলে কেউ কেউ প্রাণনাশের হুমকিও দেয়৷ ভয়ে মেয়ের ইজ্জতের ক্ষতিপূরণ হিসাবে ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেয়৷ ধর্ষিতার পরিবার চাপের মুখে মানলেও মন থেকে মেনে নিতে পারেনি৷ পরে পুলিশ চাপের মুখে পড়ে ৮ সেপ্ঢেম্বর রাতে মামলা নিতে বাধ্য হয়৷

