নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৫ জুন ৷৷ বেপরোয়া গতি দুই যুবকের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে৷ মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় রুবেল মিয়াঁ (২৪) এবং বিল্লাল মিয়াঁ (২৬)-র মৃত্যু হয়েছে৷ প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, প্রচণ্ড গতিতে সুকটির সাথে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়৷ পুলিশ জানিয়েছে, রুবেল মিয়াঁর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে এবং বিল্লাল মিয়াঁ চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা গেছেন৷

শনিবার পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার আমতলি থানাধীন বাবুল চৌমুহনি বাজার সংলগ্ণ এলাকায় সুকটি ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়৷ এ-বিষয়ে আমতলি থানার এসআই মামুন উল্লাহ কাজি জানিয়েছেন, আজ বেলা ১২টা ১০ নাগাদ বাবুল চৌমুহনি বাজার সংলগ্ণ স্থানে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে৷ তাতে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে৷ আমতলি থানাধীন ফুলতলি এলাকায় রাজেশ্বরিনগরের বাসিন্দা রুবেল মিয়াঁ এবং ব্রজেন্দ্রনগরের বাসিন্দা বিল্লাল মিয়াঁর দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে৷ তিনি আরও জানান, ঘটনার পর টিআর ০১ ওয়াই ৫৬৫০ নম্বরের সুকটি এবং টিআর ০৭ ১২৫১ নম্বরের বাস আটক করে থানায় আনা হয়েছে৷ বাসের চালক ঘটনার পর পালিয়ে গিয়েছে৷ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, আগরতলা থেকে বাড়ির উদ্দেশে যাওয়ার সময় সোনামুড়া থেকে আগারতলাগামী বাসের সাথে সুকটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়৷ প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, প্রচণ্ড গতিতে ছিল সুকটি৷ তাই নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে বাসের সাথে সংঘর্ষ হয়েছে৷
আমতলি থানার এসআই তথা এই ঘটনার তদন্তকারী অফিসার মামুন উল্লাহ কাজির বক্তব্য, দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছি৷ সেখানে গিয়ে দেখি, সুকটি চালক রুবেল মিয়াঁর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে এবং সুকটির আরোহী বিল্লাল মিয়াঁ গুরুতর আঘাত পেয়েছে৷ সঙ্গে সঙ্গে আহতকে উদ্ধার করে হাপানিয়াস্থিত ত্রিপুরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ কিন্তু, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে জিবি হাসপাতালে স্থানান্তর করেন৷ জিবি নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তারও মৃত্যু হয়েছে৷
তদন্তকারী অফিসারের দাবি, দুই যুবকের মৃত্যুর জন্য তারা নিজেরাই দায়ী৷ কারণ, তাদের কারোর মাথায় হেলমেট ছিল না৷ তাছাড়া, তারা বেপরোয়া গতিতে সুকটি চালাচ্ছিলেন৷ ফলে, নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মারা গিয়েছেন৷ তিনি জানান, দুই যুবকের মৃতদেহ ময়না তদন্তের পর তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে৷

