নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২ ফেব্রুয়ারী৷৷ দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সুুরেশ কাইতকে নিয়ে বেআইনী কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) ট্রাইবুন্যাল রাজ্যে এসেছে৷ মূলত নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন এনএলএফটি এবং এটিটিএফ এর বিরুদ্ধে গঠিত এই ট্রাইবুন্যাল শুনানীর জন্য আসে৷ শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে শুনানী৷ এদিন শুনানীতে অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্র সচিব এবং পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপার অজিত প্রতাপ সিংয়ের বক্তব্য লিপিবদ্ধ করেছে৷ ট্রাইবুন্যালের নেতৃত্বে রয়েছেন বিচারপতি সুরেশ কাইত ছাড়াও অ্যাডিশন্যাল সলিসিটর জেনারেল মাধবী গোরাডিলা ডিভান এবং আরও দুজন৷ রাজ্য সরকারের তরফে ট্রাইবুন্যালে প্রতিনিধিত্ব করেছেন আইনজীবী রতন দত্ত এবং রাজু দত্ত৷

প্রসঙ্গত, ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর গ্যাজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অব ত্রিপুরা এবং অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স ও এদের সমস্ত গোষ্ঠী, শাখা সংগঠনগুলিকে বেআইনী সংগঠন বলে ঘোষণা করেছে৷ পরবর্তীকালে ২০১৮-এর ১৫ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আরও একটি গ্যাজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সুুরেশ কাইতকে নিয়ে বেআইনী কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) ট্রাইবুন্যাল গঠন করে৷ এই ট্রাইবুন্যাল এন এল এফ টি এবং এ টি টি এফ তথা শরিক গোষ্ঠীগুলিকে বেআইনী সংগঠন কিনা বিবেচনা করার উপযুক্ত কারণ আছে কিনা খতিয়ে দেখার ও রায় দেওয়ার জন্য গঠন করা হয়৷
সেই অনুযায়ী ২০১৮-এর ২৭ নভেম্বর এই ট্রাইবুন্যাল ৩০ দিনের মধ্যে তাদের অভিযোগ / উত্তর / লিখিত বক্তব্য পেশ করার জন্য এন এল এফ টি এবং এ টি টি এফ-কে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করে৷ ২১-০১-২০১৯ তারিখের নির্দেশ অনুযায়ী ট্রাইবুন্যাল সিদ্ধান্ত নেয় যে সংশ্লিষ্ট পক্ষের সাক্ষ্য নেওয়ার জন্য ট্রাইবুন্যাল ০১-০২-২০১৯ থেকে ০৪-০২-২০১৯-এর মধ্যে আগরতলা সফরে আসবে৷ সেই মোতাবেক ট্রাইবুন্যাল এখানে আসে৷ ট্রাইবুন্যাল-এর বৈঠক আগরতলার স্টেট গেস্ট হাউসে অনুষ্ঠিত হবে ২-৩ ফেব্রুয়ারী৷ সেই অনুযায়ী শনিবার শুনানী শুনানী শুরু হয়৷