ঢাকা, ১০ জানুয়ারি (হি.স.): ভারত বিভক্ত হওয়ার পর ১৯৪৮ সালে চিন এবং তাইওয়ানকে পৃথক করা হয়েছিল| চিন এখনও দাবি করে আসছে যে, তারা চিন এবং তাইওয়ানকে একত্রিকরণের জন্য প্রয়োজন হলে সামরিক শক্তি ব্যবহার করবে| মুসলিম লীগ অবং কংগ্রেস পার্টির সহযোগিতায় ব্রিটিশদের ষড়যন্ত্র ছিল বিভাজন| যা ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অধিকাংশ হিন্দু ও সংখ্যালঘু মুসলমানদের মধ্যে ঘৃণা সৃষ্টি করেছে|

অখণ্ড ভারত গড়ে তুললেই এই অঞ্চল থেকে ঘৃণাকে দূরীভূত করা যাবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা আয়ারল্যাণ্ড, ওয়েলস এবং স্কটল্যাণ্ড নিয়ে ব্রিটিশ ইউনিয়ন যেভাবে গড়ে উঠেছে সেরকম প্রয়োজন দক্ষিণ এশিয়ার জন্য। তা হলে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে অতিরিক্ত খরচ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। এমনকি সন্ত্রাসবাদ এবং ঘৃণা থেকেও নিস্তার পাওয়া যাবে।চিন ও হংকং মিলে গিয়েছে। চিন যেমন হংকংকে জোর করে চুক্তি স্বাক্ষরিত করিয়েছে। সেরকম ১৯৭১ সালের যুদ্ধে পাকিস্তানকে জোর করে চুক্তি স্বাক্ষরিত করাত ভারত, তবে অখণ্ডতা সম্ভব হত। কিন্তু ভারত সেই সুযোগ হারিয়েছে। বাংলাদেশের বিশিষ্ট এক মানবাধিকার কর্মীর মতে, সন্ত্রাস ও ঘৃণা থেকে অখণ্ড ভারতই পারে মুক্তি দিতে|